ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন ঘোষণা করবেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।

মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১ জুন আদালত অভিযুক্ত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। পরে আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে দুই আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই দিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে। বহুল আলোচিত এ মামলার রায়কে ঘিরে ভুক্তভোগী পরিবারসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রামিসা হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ৭ জুন ঘোষণা করবেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।

মামলার বিচার কার্যক্রম দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১ জুন আদালত অভিযুক্ত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। পরে আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে দুই আসামিই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই দিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করেছে। বহুল আলোচিত এ মামলার রায়কে ঘিরে ভুক্তভোগী পরিবারসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।