ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু ‎

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাঘাটায় খড় তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস (৫৫) ও ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২)।

‎এলাকাবাসী জানায়, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন। ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধায় শুরু হয় ঝড়ো বাতাস, হালকা বৃষ্টি ও ঘন ঘন বজ্রপাত। এ সময় তার মা কল্পনা খড় তুলতে তাকে ঘরের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। পরে মা-ছেলে দুজনই বজ্রপাতে আহত হন।
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিন আলম বাংলা টাইমসকে জানান, বজ্রপাতে মা-ছেলে দুজন গুরুতর আহত হলে তাদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহবুব আলম মোবাইল ফোনে বাংলা টাইমসকে বলেন, বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

একই উপজেলার পাশ্ববর্তী কচুয়া গ্রামে একই সময়ে বজ্রপাতে আহত হয়েছেন শফি মিয়ার স্ত্রী তাসমিনা বেগম (৩৫)। পার্শ্ববর্তী ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর গ্রামে সাইদার মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম। দুইজনই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মোস্তাফিজার রহমান বাংলা টাইমসকে বলেন, বজ্রপাতের সময় জনসাধারণকে ঘরের ভিতরে অবস্থান করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ ৪ জুন থেকে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত গাইবান্ধাসহ রংপুর অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাঘাটায় বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু ‎

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটায় খড় তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী দাস (৫৫) ও ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২)।

‎এলাকাবাসী জানায়, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন। ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধায় শুরু হয় ঝড়ো বাতাস, হালকা বৃষ্টি ও ঘন ঘন বজ্রপাত। এ সময় তার মা কল্পনা খড় তুলতে তাকে ঘরের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। পরে মা-ছেলে দুজনই বজ্রপাতে আহত হন।
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহিন আলম বাংলা টাইমসকে জানান, বজ্রপাতে মা-ছেলে দুজন গুরুতর আহত হলে তাদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহবুব আলম মোবাইল ফোনে বাংলা টাইমসকে বলেন, বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

একই উপজেলার পাশ্ববর্তী কচুয়া গ্রামে একই সময়ে বজ্রপাতে আহত হয়েছেন শফি মিয়ার স্ত্রী তাসমিনা বেগম (৩৫)। পার্শ্ববর্তী ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর গ্রামে সাইদার মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম। দুইজনই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মোস্তাফিজার রহমান বাংলা টাইমসকে বলেন, বজ্রপাতের সময় জনসাধারণকে ঘরের ভিতরে অবস্থান করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ ৪ জুন থেকে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত গাইবান্ধাসহ রংপুর অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।