ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাবি সর্বমিত্র চাকমার

পদত্যাগ নয়, দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি; বরং তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের কথা বলা হলেও বাস্তবে দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াননি। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সুপারিশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জের ধরে সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মাথায় তাঁর মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দ্বন্দ্বের কারণে এভাবে একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার ঘটনা বিরল। বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মনে দীর্ঘদিন প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বমিত্র চাকমা দাবি করেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছিল এবং তার প্রতিফলন হিসেবে তিনটি সংসদীয় আসনেই দলটির প্রার্থীরা বিজয়ী হন। তিনি দীপেন দেওয়ানকে একজন সজ্জন ব্যক্তি এবং রাঙামাটির পাহাড়ি ও বাঙালি—উভয় সম্প্রদায়ের কাছে সম্মানিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন দীপেন দেওয়ান। এরপর তাঁর পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।

এদিকে তাঁর পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং মন্ত্রিসভায় পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার রাঙামাটিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।

৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সপ্তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে বিচার বিভাগে যোগ দেন এবং দীর্ঘ প্রায় দুই দশক জুডিসিয়াল সার্ভিসে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিচার বিভাগের চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে আসেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দাবি সর্বমিত্র চাকমার

পদত্যাগ নয়, দীপেন দেওয়ানের মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:২৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি; বরং তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সর্বমিত্র চাকমা লিখেছেন, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের কথা বলা হলেও বাস্তবে দীপেন দেওয়ান স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়াননি। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সুপারিশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের জের ধরে সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মাথায় তাঁর মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দ্বন্দ্বের কারণে এভাবে একজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার ঘটনা বিরল। বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মনে দীর্ঘদিন প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বমিত্র চাকমা দাবি করেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছিল এবং তার প্রতিফলন হিসেবে তিনটি সংসদীয় আসনেই দলটির প্রার্থীরা বিজয়ী হন। তিনি দীপেন দেওয়ানকে একজন সজ্জন ব্যক্তি এবং রাঙামাটির পাহাড়ি ও বাঙালি—উভয় সম্প্রদায়ের কাছে সম্মানিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন দীপেন দেওয়ান। এরপর তাঁর পদত্যাগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়।

এদিকে তাঁর পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং মন্ত্রিসভায় পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার রাঙামাটিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।

৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সপ্তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে বিচার বিভাগে যোগ দেন এবং দীর্ঘ প্রায় দুই দশক জুডিসিয়াল সার্ভিসে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিচার বিভাগের চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে আসেন তিনি।