ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে এক নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন বেবী বেগম (৫৫), তার নাতি শামিম (১৩) ও মুস্তাকিম (৪)।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জাহিদুল ইসলাম জানান, ফাতেমা বেগম নামে এক নারী ওই দুই শিশুকে তার সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই তিনজনকে হত্যা করে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:২৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে এক নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন বেবী বেগম (৫৫), তার নাতি শামিম (১৩) ও মুস্তাকিম (৪)।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জাহিদুল ইসলাম জানান, ফাতেমা বেগম নামে এক নারী ওই দুই শিশুকে তার সন্তান হিসেবে দাবি করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা তার দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল এই তিনজনকে হত্যা করে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।