পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আহম্মদ আলী
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় কম খরচে বেশি লাভের আশায় পরীক্ষামূলকভাবে পান চাষে ঝুঁকছেন কৃষক আহম্মদ আলী। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু করা এই চাষে ইতোমধ্যেই তিনি সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন বলে দাবি করেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়া এলাকায় চা বাগানের পাশাপাশি সীমিত আকারে পান চাষও হয়ে থাকে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত পান স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি হয়। পাশাপাশি অনেকেই পানকে ঔষধি গাছ হিসেবেও ব্যবহার করছেন।
মাগুরা গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহীম আলী জানান, তিনি দুই বছর ধরে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কাজ করছেন এবং পান চাষে পরিচর্যাকারী হিসেবে কাজ করছেন। এতে তার ছয় সদস্যের পরিবার কোনোভাবে চলমান রয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে এ উপজেলায় নিজেদের জমিতে পান চাষ শুরু হয়েছে।
কৃষক আহম্মদ আলী জানান, তার ১৫ শতক জমির ওপর তৈরি পান বরজটির বয়স প্রায় দুই বছর। বর্তমানে আকারভেদে প্রতি বিড়া পান ৬০ থেকে ১০০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকায় পুরোনো ও নতুন—উভয় পানেরই ভালো দাম পাচ্ছেন তিনি।
তবে তিনি অভিযোগ করেন, পান চাষে কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি। এমনকি ব্যাংক থেকেও কৃষিঋণ না পাওয়ায় নিজের জমানো টাকা ও চা বিক্রির আয় দিয়ে তিনি এই চাষ শুরু করেন।
তিনি আরও জানান, পানের বরজে ফাঙ্গাসজনিত রোগ ও শীতকালে কুয়াশার কারণে পাতাঝরা সমস্যা দেখা দেয়, যা চাষিদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কৃষি বিশ্লেষকদের মতে, পান চাষ সম্ভাবনাময় একটি খাত হলেও এটিকে টেকসই করতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ কৃষিঋণ, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণে সহায়তা জরুরি।
তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাবরিনা আফরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




















