ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে  ইনডোর স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নোয়াখালীতে রেলওয়ের জায়গা থেকে উচ্ছেদ ১২০ স্থাপনা নগরীর আলোকিত শিশু প্রকল্পে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত সান্তাহারে ফল ব্যাবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি গঠন জয়পুরহাটে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত  সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যার রোহমর্ষক বর্ণনা দিলো হত্যাকারী চাচা জাকির ইসলামপুরে ঝর্না ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ১ মাসের কারাদণ্ড পুলিশের বিরুদ্ধে গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ ধান কাটার মেশিন ভাড়ায় বাড়তি টাকা, ক্ষোভ কৃষকদের দূর্গম যমুনা চরের কাঁশবন থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আহম্মদ আলী

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় কম খরচে বেশি লাভের আশায় পরীক্ষামূলকভাবে পান চাষে ঝুঁকছেন কৃষক আহম্মদ আলী। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু করা এই চাষে ইতোমধ্যেই তিনি সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন বলে দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়া এলাকায় চা বাগানের পাশাপাশি সীমিত আকারে পান চাষও হয়ে থাকে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত পান স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি হয়। পাশাপাশি অনেকেই পানকে ঔষধি গাছ হিসেবেও ব্যবহার করছেন।

মাগুরা গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহীম আলী জানান, তিনি দুই বছর ধরে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কাজ করছেন এবং পান চাষে পরিচর্যাকারী হিসেবে কাজ করছেন। এতে তার ছয় সদস্যের পরিবার কোনোভাবে চলমান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে এ উপজেলায় নিজেদের জমিতে পান চাষ শুরু হয়েছে।

কৃষক আহম্মদ আলী জানান, তার ১৫ শতক জমির ওপর তৈরি পান বরজটির বয়স প্রায় দুই বছর। বর্তমানে আকারভেদে প্রতি বিড়া পান ৬০ থেকে ১০০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকায় পুরোনো ও নতুন—উভয় পানেরই ভালো দাম পাচ্ছেন তিনি।

তবে তিনি অভিযোগ করেন, পান চাষে কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি। এমনকি ব্যাংক থেকেও কৃষিঋণ না পাওয়ায় নিজের জমানো টাকা ও চা বিক্রির আয় দিয়ে তিনি এই চাষ শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, পানের বরজে ফাঙ্গাসজনিত রোগ ও শীতকালে কুয়াশার কারণে পাতাঝরা সমস্যা দেখা দেয়, যা চাষিদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কৃষি বিশ্লেষকদের মতে, পান চাষ সম্ভাবনাময় একটি খাত হলেও এটিকে টেকসই করতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ কৃষিঋণ, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণে সহায়তা জরুরি।

তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাবরিনা আফরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পান চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক আহম্মদ আলী

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় কম খরচে বেশি লাভের আশায় পরীক্ষামূলকভাবে পান চাষে ঝুঁকছেন কৃষক আহম্মদ আলী। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু করা এই চাষে ইতোমধ্যেই তিনি সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন বলে দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তেঁতুলিয়া এলাকায় চা বাগানের পাশাপাশি সীমিত আকারে পান চাষও হয়ে থাকে। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত পান স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি হয়। পাশাপাশি অনেকেই পানকে ঔষধি গাছ হিসেবেও ব্যবহার করছেন।

মাগুরা গ্রামের শ্রমিক ইব্রাহীম আলী জানান, তিনি দুই বছর ধরে দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কাজ করছেন এবং পান চাষে পরিচর্যাকারী হিসেবে কাজ করছেন। এতে তার ছয় সদস্যের পরিবার কোনোভাবে চলমান রয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে এ উপজেলায় নিজেদের জমিতে পান চাষ শুরু হয়েছে।

কৃষক আহম্মদ আলী জানান, তার ১৫ শতক জমির ওপর তৈরি পান বরজটির বয়স প্রায় দুই বছর। বর্তমানে আকারভেদে প্রতি বিড়া পান ৬০ থেকে ১০০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকায় পুরোনো ও নতুন—উভয় পানেরই ভালো দাম পাচ্ছেন তিনি।

তবে তিনি অভিযোগ করেন, পান চাষে কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি। এমনকি ব্যাংক থেকেও কৃষিঋণ না পাওয়ায় নিজের জমানো টাকা ও চা বিক্রির আয় দিয়ে তিনি এই চাষ শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, পানের বরজে ফাঙ্গাসজনিত রোগ ও শীতকালে কুয়াশার কারণে পাতাঝরা সমস্যা দেখা দেয়, যা চাষিদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কৃষি বিশ্লেষকদের মতে, পান চাষ সম্ভাবনাময় একটি খাত হলেও এটিকে টেকসই করতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ কৃষিঋণ, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণে সহায়তা জরুরি।

তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাবরিনা আফরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।