ঢাকা ০৫:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে  ইনডোর স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নোয়াখালীতে রেলওয়ের জায়গা থেকে উচ্ছেদ ১২০ স্থাপনা নগরীর আলোকিত শিশু প্রকল্পে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত সান্তাহারে ফল ব্যাবসায়ী সমিতির নতুন কমিটি গঠন জয়পুরহাটে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত  সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যার রোহমর্ষক বর্ণনা দিলো হত্যাকারী চাচা জাকির ইসলামপুরে ঝর্না ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ১ মাসের কারাদণ্ড পুলিশের বিরুদ্ধে গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ ধান কাটার মেশিন ভাড়ায় বাড়তি টাকা, ক্ষোভ কৃষকদের দূর্গম যমুনা চরের কাঁশবন থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার

বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছেই চাল-ডিম-তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দাম সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। সবজি, ডিম, চাল, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে ভোজ্যতেল—প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম চাপে পড়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম কাঁকরোল, শসা ও বেগুনের। এসব পণ্য প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটোল ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, ধুন্দল ১০০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি উঠেছে ১৬০ টাকায়। লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা এবং কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কৃষকের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। ফলে চাহিদার তুলনায় পণ্য কম থাকায় দাম বেড়েছে।

অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিদিন বাজারে এসে নতুন করে দামের ধাক্কা খেতে হচ্ছে। তাদের ভাষায়, “আয় বাড়ে না, কিন্তু প্রতিদিনই খরচ বাড়ছে।”

ভোজ্যতেলের বাজারেও দেখা দিয়েছে সংকট। দোকানিরা বলছেন, সরবরাহকারীরা মুনাফা কমিয়ে দেওয়ায় খুচরা পর্যায়ে তেল বিক্রিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। ফলে অনেক এলাকায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে মুদি পণ্যের বাজারেও। চিনি, মসুর ডাল, গুঁড়া মসলা ও পোলাওয়ের চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম গত কয়েক সপ্তাহে বেড়েছে।

ডিম, মুরগি ও মাংসের বাজারেও স্বস্তি নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও সোনালি মুরগির দাম ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকায় এবং খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে।

চালের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। খুচরা বাজারে মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে।

মাছের বাজারেও বাড়তি দামের চাপ রয়েছে। এক কেজি ওজনের রুই বা কাতলার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। সাধারণ মানুষের পরিচিত মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছেই চাল-ডিম-তেলের দাম

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দাম সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। সবজি, ডিম, চাল, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে ভোজ্যতেল—প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম চাপে পড়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম কাঁকরোল, শসা ও বেগুনের। এসব পণ্য প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটোল ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, ধুন্দল ১০০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের কেজি উঠেছে ১৬০ টাকায়। লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা এবং কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কৃষকের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। ফলে চাহিদার তুলনায় পণ্য কম থাকায় দাম বেড়েছে।

অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিদিন বাজারে এসে নতুন করে দামের ধাক্কা খেতে হচ্ছে। তাদের ভাষায়, “আয় বাড়ে না, কিন্তু প্রতিদিনই খরচ বাড়ছে।”

ভোজ্যতেলের বাজারেও দেখা দিয়েছে সংকট। দোকানিরা বলছেন, সরবরাহকারীরা মুনাফা কমিয়ে দেওয়ায় খুচরা পর্যায়ে তেল বিক্রিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। ফলে অনেক এলাকায় বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে গেছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে মুদি পণ্যের বাজারেও। চিনি, মসুর ডাল, গুঁড়া মসলা ও পোলাওয়ের চালসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম গত কয়েক সপ্তাহে বেড়েছে।

ডিম, মুরগি ও মাংসের বাজারেও স্বস্তি নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও সোনালি মুরগির দাম ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকায় এবং খাসির মাংস ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে।

চালের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। খুচরা বাজারে মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে।

মাছের বাজারেও বাড়তি দামের চাপ রয়েছে। এক কেজি ওজনের রুই বা কাতলার দাম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। সাধারণ মানুষের পরিচিত মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে।