ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে এনজিও ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে এডাবের মতবিনিময় সভা হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থ ইউনূস সরকার, দাবি সিপিবির স্বাক্ষর জালিয়াতি করে খুবির ১৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, পলাতক সহকারী রেজিস্ট্রার বিএনপি–জামায়াতের মত নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে দিল্লির সঙ্গে আলোচনা করবে ঢাকা গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব না দিলে টিকে থাকা কঠিন: প্রধানমন্ত্রী দেশে হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু পাকিস্তানের শেষ ৭ উইকেট গুঁড়িয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় ঈদ সামনে রেখে মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ চাঁদাবাজির প্রতিবাদে দলিল লেখকদের অনির্দিষ্টকালের কলম বিরতি

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪,৩৮২ কর্মীর চাকরি বহাল রাখার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের অধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রকল্পে কর্মরত হাজারো কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ৪ হাজার ৩৮২ জন কর্মীর চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

বর্তমানে প্রকল্পটির অধীনে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় পরিচালিত এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। এর আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখের বেশি প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখের বেশি প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারির সময়ও এ প্রকল্পের জনবল প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানে ভূমিকা রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকলেও বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে ৪,৩৮২ জন কর্মীর চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।

তারা আরও বলেন, এতে প্রকল্পের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ইউনিট (পিএমইউ), বাস্তবায়ন ইউনিট (পিআইইউ) এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত চাকরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ৪,৩৮২ কর্মীর চাকরি বহাল রাখার দাবি

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:৫১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি (ইউপিএইচসিএসডিপি) প্রকল্পের অধীন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়ায় প্রকল্পে কর্মরত হাজারো কর্মীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ৪ হাজার ৩৮২ জন কর্মীর চাকরি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

বর্তমানে প্রকল্পটির অধীনে ৯৮৭ জন মাতৃসদনকর্মী এবং ৩ হাজার ৩৯৫ জন স্বাস্থ্যকেন্দ্রকর্মীসহ মোট ৪ হাজার ৩৮২ জন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিক ও টেকনিশিয়ান কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় পরিচালিত এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২১টি পৌরসভার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। এর আওতায় ৩০টি নগর মাতৃসদন এবং ১৬২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রসব-পূর্ব ও পরবর্তী সেবা, সাধারণ ডেলিভারি, শিশুস্বাস্থ্য সেবা এবং টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মার্চ থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখের বেশি প্রসব-পূর্ব এবং ১০ লাখের বেশি প্রসব-পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুর নিরাপদ জন্ম নিশ্চিত করা হয়েছে এবং প্রায় ৯৯ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারির সময়ও এ প্রকল্পের জনবল প্রায় ৭০ লাখ মানুষকে টিকা প্রদানে ভূমিকা রাখে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী শহরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকলেও বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে ৪,৩৮২ জন কর্মীর চাকরি স্থায়ীকরণ বা বহাল রাখার বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।

তারা আরও বলেন, এতে প্রকল্পের কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ইউনিট (পিএমইউ), বাস্তবায়ন ইউনিট (পিআইইউ) এবং মাঠপর্যায়ের কর্মীরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত চাকরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।