ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে অবৈধ বাঁধ অপসারণ শুরু

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে সরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গত দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। সব সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

পুলিশের সহয়তা নিয়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণ অভিযানে নের্তৃত্ব দেয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতাবানরা রামপাল উপজেলার অধিকায়শ সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ ও পাটা দিয়ে আটকে চিংড়িসহ মাছ চাষ করে আসছিল।

এরফলে মাছের খামারগুলোর মধ্যে সরকারি খালে বাঁধ ও পাটার কারনে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধসহ মাসের পর মাস ধরে লবণাক্ত পানি আটকে থাকায় ধান উৎপাদন কমে যাওয়াসহ গাছপালা মওে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দেয়। এই অবস্থায় পরিবেশ রক্ষাসহ সরকারি খালে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণের প্রতিশ্রæতি দেন এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্দেশে বুধবার সকাল থেকেসরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গত দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধ বাঁধ ও পাটা অপসারণের মাধ্যমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। অবৈধ বাঁধ ও খাল দখলদারদের তালিকা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রæত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি খালের সব অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাগেরহাটে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে অবৈধ বাঁধ অপসারণ শুরু

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে সরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গত দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। সব সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

পুলিশের সহয়তা নিয়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণ অভিযানে নের্তৃত্ব দেয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতাবানরা রামপাল উপজেলার অধিকায়শ সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ ও পাটা দিয়ে আটকে চিংড়িসহ মাছ চাষ করে আসছিল।

এরফলে মাছের খামারগুলোর মধ্যে সরকারি খালে বাঁধ ও পাটার কারনে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধসহ মাসের পর মাস ধরে লবণাক্ত পানি আটকে থাকায় ধান উৎপাদন কমে যাওয়াসহ গাছপালা মওে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দেয়। এই অবস্থায় পরিবেশ রক্ষাসহ সরকারি খালে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণের প্রতিশ্রæতি দেন এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্দেশে বুধবার সকাল থেকেসরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গত দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধ বাঁধ ও পাটা অপসারণের মাধ্যমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। অবৈধ বাঁধ ও খাল দখলদারদের তালিকা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রæত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি খালের সব অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।