ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে ইসির তোড়জোড় হামের টিকাকাণ্ডে অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা অনুমোদনহীন প্ল্যান্টে হেভি ক্রুড আমদানির অনুমতি চায় সুপার পেট্রোকেমিক্যাল পিএসসি সংস্কারসহ ১৩ দফা দাবি শিবিরের, নিয়োগে দলীয় প্রভাব বন্ধের আহ্বান তেঁতুলিয়ায় ৬৪ শতক জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দখলের অভিযোগ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ:ডাচ-বাংলার ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিতে অপেক্ষা ১০ বছর, কঠোর হচ্ছে অভিবাসন নীতি ৭ নভেম্বর উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তের ধানক্ষেতে নারীর মরদেহ, পরিচয় মিলেছে যশোরে

‘শ্রীলংকার মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা দেশে শ্রীলংকার মতো তান্ডব সৃষ্টির চেষ্টা করতে চেয়েছিলো এবং তারা সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করেছিলো।

তিনি বলেন, বিশৃঙ্খলাকারীরা শ্রীলংকা টাইপ সহিংসতা এবং সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করেছে। বুধবার (৩১ জুলাই) বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক আন্দোলন মোটেও স্বাভাবিক আন্দোলন নয়। বরং এক পর্যায়ে তা প্রায় সন্ত্রাসী হামলায় পরিণত হয়।

তিনি আরও লেন, এটা সাধারণ আন্দোলন ছিলো না। এটা এক পর্যায়ে প্রায় সন্ত্রাসী আক্রমণের মতো হয়ে যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেনপ্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

স্ক্ষাতকালে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সব সময় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের ভিশন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন করে।

প্রণয় ভার্মা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফর অর্থবহ ফলাফল অর্জন করেছে। যা অতীতের অর্জনকে সুসংসহত করেছে এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার একটা ব্লু-প্রিন্ট সৃষ্টি করেছে।

হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের যে জাতীয় ডেভেলপমেন্ট ভিশন- ‘বাংলাদেশের ২০৪১ এবং ভারতের ২০৪৭’ ভিশনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সহযোগিতার একটা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ডিজিটাল ও গ্রিন অংশীদারিত্ব, স্যাটেলাইটের যৌথ উন্নয়ন, ব্লুইকোনোমি, ওশানোগ্রাফি, ফিনটেকসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘শ্রীলংকার মতো তান্ডব সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীরা’

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীরা দেশে শ্রীলংকার মতো তান্ডব সৃষ্টির চেষ্টা করতে চেয়েছিলো এবং তারা সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করেছিলো।

তিনি বলেন, বিশৃঙ্খলাকারীরা শ্রীলংকা টাইপ সহিংসতা এবং সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করেছে। বুধবার (৩১ জুলাই) বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক আন্দোলন মোটেও স্বাভাবিক আন্দোলন নয়। বরং এক পর্যায়ে তা প্রায় সন্ত্রাসী হামলায় পরিণত হয়।

তিনি আরও লেন, এটা সাধারণ আন্দোলন ছিলো না। এটা এক পর্যায়ে প্রায় সন্ত্রাসী আক্রমণের মতো হয়ে যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেনপ্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

স্ক্ষাতকালে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে ভারত সব সময় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের ভিশন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে সমর্থন করে।

প্রণয় ভার্মা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফর অর্থবহ ফলাফল অর্জন করেছে। যা অতীতের অর্জনকে সুসংসহত করেছে এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার একটা ব্লু-প্রিন্ট সৃষ্টি করেছে।

হাইকমিশনার আরও বলেন, দুই দেশের যে জাতীয় ডেভেলপমেন্ট ভিশন- ‘বাংলাদেশের ২০৪১ এবং ভারতের ২০৪৭’ ভিশনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সহযোগিতার একটা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। ডিজিটাল ও গ্রিন অংশীদারিত্ব, স্যাটেলাইটের যৌথ উন্নয়ন, ব্লুইকোনোমি, ওশানোগ্রাফি, ফিনটেকসহ নতুন নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা হবে।