বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬-এর জমকালো সমাপনী

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে জমকালো পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নেমেছে উপমহাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’-এর। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীকে ৩-০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মিশরের জিয়াদ ইব্রাহিম।
গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া পাঁচ দিনের এই আন্তর্জাতিক আসরে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়রা অংশ নেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে রভিন্দ্রকে সরাসরি তিন সেটে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন বিশ্বের ১৪৪ নম্বর র্যাঙ্কধারী জিয়াদ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও প্রাইজমানি তুলে দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইনচীফ মেজর জেনারেল মু হাসান-উজ-জামান। অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্ট প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম (অব.), বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, আমন্ত্রিত অতিথি, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া মাধ্যমিকে কৃতিত্ব অর্জনকারী স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের সম্মাননা এবং ক্ষুদে খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী পর্বে বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড় তরুণ প্রতিভা পারভেজ করিমকে সম্মানিত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর, প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফের এতেমাদপুর, রানার্সআপ রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমের হাতে পুরস্কার ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকদের মতে, ‘ক্লাসরুম স্কোয়াশ’, খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ এবং ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’সহ ধারাবাহিক কর্মসূচির সুফল এখন দৃশ্যমান। আন্তর্জাতিক এই আয়োজন দেশের খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা ও র্যাঙ্কিং উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশকে সম্ভাবনাময় ‘স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন’ হিসেবে তুলে ধরছে।
আয়োজকরা জানান, গত পাঁচ বছরে দেশের প্রায় মৃতপ্রায় স্কোয়াশ নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে পদকও আসতে শুরু করেছে। ২০৩২ সালের অলিম্পিকে স্কোয়াশকে আরও শক্ত অবস্থানে নিতে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

























