ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিউমার্কেটের হোটেলে স্ত্রী, সন্তান-সহ মৃত্যু সাংবাদিকেরও

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কলকাতার নিউমার্কেটের হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মৃত ৯ জনের মধ্যে আট জনই বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে রয়েছে ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সাংবাদিক, তাঁর স্ত্রী-তিনবছরের সন্তান ও শ্বশুর। রয়েছেন ঢাকার এক বাসিন্দা। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। কলকাতার বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার মহম্মদ খালেদ জানিয়েছেন, অসুস্থ ৬ জন বাংলাদেশি আপাতত বিপন্মুক্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ‘আজকের পত্রিকার’ সাংবাদিক দেবাশিস দত্তের স্ত্রী। তাই চিকিৎসার জন্য ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শ্বশুর আক্রম আলি। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসার পর কলকাতায় আসেন তাঁরা। উঠেছিলেন অভিশপ্ত ‘শিখা ইন’-এ। ভাবতেও পারেননি কী বিপদ অপেক্ষায়। মধ্যরাতে আচমকা আগুন লাগে নিউমার্কেটের ওই হোটেলে। মুহূর্তে ধোঁয়ায় ভরে যায় ঘরগুলি। বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দেবাশিস দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমমিন, ৩ বছরের ছেলে স্বর্ণশিস দত্ত ও শ্বশুর আক্রম আলির।

কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বাংলাদেশের বাসিন্দারা বরাবর চিকিৎসার জন্য আসেন এদেশে। কেউ কলকাতায় চিকিৎসা করান, কেউ যান ভাইজ্যাগ বা ব্যাঙ্গালোর। এছাড়াও ব্যবসার কাজে বা স্রেফ ঘোরার জন্য কলকাতায় বাংলাদেশিদের আনাগোনা লেগেই থাকে।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সাংবাদিক দেবাশিস দত্তের স্ত্রী। তাই চিকিৎসার জন্য ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শ্বশুর আক্রম আলি। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসার পর কলকাতায় আসেন তাঁরা। উঠেছিলেন অভিশপ্ত ‘শিখা ইন’-এ। ভাবতেও পারেননি কী বিপদ অপেক্ষায়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মধ্যরাতে আচমকা আগুন লাগে নিউমার্কেটের ওই হোটেলে। মুহূর্তে ধোঁয়ায় ভরে যায় ঘরগুলি। বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দেবাশিস দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমমিন, ৩ বছরের ছেলে স্বর্ণশিস দত্ত ও শ্বশুর আক্রম আলির। মৃত্যু হয়েছে ঢাকার বাসিন্দা আহমেদ বাবুরও। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, ভোর রাতেই অভিশপ্ত বিল্ডিং থেকে একে একে ৮০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বাংলাদেশি। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এসি বিস্ফোরণের জেরেই এই পরিণতি হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই তদন্তে পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। অবিলম্বে ফায়ার অডিট সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিউমার্কেটের হোটেলে স্ত্রী, সন্তান-সহ মৃত্যু সাংবাদিকেরও

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার নিউমার্কেটের হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মৃত ৯ জনের মধ্যে আট জনই বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে রয়েছে ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সাংবাদিক, তাঁর স্ত্রী-তিনবছরের সন্তান ও শ্বশুর। রয়েছেন ঢাকার এক বাসিন্দা। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। কলকাতার বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার মহম্মদ খালেদ জানিয়েছেন, অসুস্থ ৬ জন বাংলাদেশি আপাতত বিপন্মুক্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ‘আজকের পত্রিকার’ সাংবাদিক দেবাশিস দত্তের স্ত্রী। তাই চিকিৎসার জন্য ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শ্বশুর আক্রম আলি। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসার পর কলকাতায় আসেন তাঁরা। উঠেছিলেন অভিশপ্ত ‘শিখা ইন’-এ। ভাবতেও পারেননি কী বিপদ অপেক্ষায়। মধ্যরাতে আচমকা আগুন লাগে নিউমার্কেটের ওই হোটেলে। মুহূর্তে ধোঁয়ায় ভরে যায় ঘরগুলি। বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দেবাশিস দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমমিন, ৩ বছরের ছেলে স্বর্ণশিস দত্ত ও শ্বশুর আক্রম আলির।

কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। বাংলাদেশের বাসিন্দারা বরাবর চিকিৎসার জন্য আসেন এদেশে। কেউ কলকাতায় চিকিৎসা করান, কেউ যান ভাইজ্যাগ বা ব্যাঙ্গালোর। এছাড়াও ব্যবসার কাজে বা স্রেফ ঘোরার জন্য কলকাতায় বাংলাদেশিদের আনাগোনা লেগেই থাকে।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ‘আজকের আলো’ পত্রিকার সাংবাদিক দেবাশিস দত্তের স্ত্রী। তাই চিকিৎসার জন্য ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শ্বশুর আক্রম আলি। ব্যাঙ্গালোরে চিকিৎসার পর কলকাতায় আসেন তাঁরা। উঠেছিলেন অভিশপ্ত ‘শিখা ইন’-এ। ভাবতেও পারেননি কী বিপদ অপেক্ষায়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মধ্যরাতে আচমকা আগুন লাগে নিউমার্কেটের ওই হোটেলে। মুহূর্তে ধোঁয়ায় ভরে যায় ঘরগুলি। বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দেবাশিস দত্ত, স্ত্রী আফসানা সিমমিন, ৩ বছরের ছেলে স্বর্ণশিস দত্ত ও শ্বশুর আক্রম আলির। মৃত্যু হয়েছে ঢাকার বাসিন্দা আহমেদ বাবুরও। বাকিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, ভোর রাতেই অভিশপ্ত বিল্ডিং থেকে একে একে ৮০ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বাংলাদেশি। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এসি বিস্ফোরণের জেরেই এই পরিণতি হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই তদন্তে পাঁচ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। অবিলম্বে ফায়ার অডিট সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।