ব্যয় সংকোচনে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর জাতীয় সংসদে আয়োজিত নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ব্যয় সংকোচন নীতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবার বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ আয়োজন করা হয়নি। এতে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
প্রতিবছর বাজেট পাসের দিন রাতে সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই নৈশভোজ আয়োজন করা হতো। এতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিতেন।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, অতীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আপ্যায়ন খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় হয়েছে। তিনি জানান, বিগত সরকারের সময়ে এ খাতে প্রতিবছর গড়ে ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে এবং এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ খরচের ঘটনাও ছিল।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাবার সরবরাহ করত। আগের সময়ের এসব ব্যয়ের কিছু অর্থ এখনো বকেয়া রয়েছে, যা বর্তমান সরকারকে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হচ্ছে।
গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে বিভিন্ন মঞ্জুরি দাবি নিষ্পত্তির পর বিকেল ৪টার দিকে বাজেট পাস হয়।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপ্যায়ন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় ১১ লাখ টাকার কিছু বেশি ছিল।
তিনি জানান, দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়নে প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
এদিকে বাজেট পাসের দিন সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততার তথ্য তুলে ধরে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ১০টায় সংসদে এসে অধিবেশনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। বাজেটের মঞ্জুরি দাবি, ভোট গ্রহণ ও আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিরতির সময় দাপ্তরিক কাজ ও জরুরি ফাইলে স্বাক্ষর করেন।




















