গুরুত্ব মজুদ ও বিকল্প জ্বালানিতে
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সংসদীয় কমিটির ১২ সুপারিশ
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৯:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থায় ডিজিটাল মনিটরিং এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গত ২৬ এপ্রিল ১০ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
কমিটি গত ৩ মে ও ১৯ মে অনুষ্ঠিত দুটি বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সুপারিশমালা চূড়ান্ত করে।
কমিটির প্রধান সুপারিশগুলো
- জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ কমপক্ষে তিন মাসের চাহিদা পূরণের সক্ষমতায় উন্নীত করা।
- আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ করে সরবরাহ ঝুঁকি কমানো।
- জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু করা।
- অবৈধ মজুদ ও পাচার রোধে আইনগত ব্যবস্থা আরও কঠোর করা।
- এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো।
- ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন, এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল-২ দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
- জ্বালানি সাশ্রয় ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা।
- বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি খাতে জ্বালানি আমদানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণা পরিচালনা করা।
- ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা এবং এর কার্যকারিতা তদারকি বৃদ্ধি করা।
- সিস্টেম লস কমাতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
- তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ুশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।
- বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো বিবেচনা করে প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব সুপারিশ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের জ্বালানি খাত আরও স্থিতিশীল হবে এবং আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।




















