পেটের সমস্যা, গ্যাস-অম্বল এড়াতে বদলে ফেলুন ৫ অভ্যাস
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
গ্যাস, অম্বল, পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা এখন অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। অনিয়মিত খাবার, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এবং ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে এসব সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে ওষুধের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১. ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান
তাড়াহুড়া করে খেলে খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত বাতাস পেটে ঢুকে যায়, যা পেট ফাঁপা ও অস্বস্তির কারণ হতে পারে। খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে মুখের লালায় থাকা হজম-সহায়ক এনজাইম কাজ করার সুযোগ পায় এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।
২. নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খান
প্রতিদিন একই সময়ে সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক হজমচক্র বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনিয়মিত সময়ে খাবার খেলে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি হতে পারে, যা গ্যাস ও অম্বলের ঝুঁকি বাড়ায়।
৩. খাবারের সময় অতিরিক্ত পানি পান নয়
খাওয়ার ঠিক আগে, খাওয়ার মাঝখানে বা খাওয়ার পরপরই অনেক বেশি পানি পান করলে পাকস্থলীর হজমরসের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। তাই খাবারের সময় পরিমিত পানি পান করাই ভালো।
৪. মনোযোগ দিয়ে খাবার খান
মোবাইল, টেলিভিশন বা ল্যাপটপে ব্যস্ত থেকে খাবার খেলে অনেক সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়া হয়ে যায় এবং হজমেও সমস্যা দেখা দেয়। খাবারের স্বাদ, গন্ধ ও গঠন অনুভব করে ধীরে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে পারে।
৫. ঘুমানোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন
খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে অ্যাসিড রিফ্লাক্স, বুক জ্বালা ও অম্বলের ঝুঁকি বাড়ে। রাতের খাবার ও ঘুমের মধ্যে অন্তত তিন ঘণ্টার ব্যবধান রাখুন। খাবারের পর কয়েক মিনিট হাঁটাহাঁটিও উপকারী।
মনে রাখবেন
গ্যাস বা অম্বল মাঝে মধ্যে হওয়া স্বাভাবিক হলেও, যদি দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকে, ওজন কমে যায়, বমি, রক্তপাত বা তীব্র পেটব্যথা দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শুধু ওষুধ নয়, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনই সুস্থ হজমের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।




















