ঢাকা ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি হত্যায় বড় ভাই শরীফ ওমরের সংশ্লিষ্টতা, ‘সন্দেহ’ ফারুক হাসানের

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলাকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র মো. ফারুক হাসান হত্যাকাণ্ডে ওসমান হাদীর বড় ভাই শরীফ ওমর হাদী-এর সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে ফারুক হাসান দাবি করেন, ওসমান হাদী হত্যার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন ওমর হাদী। তার অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওমর হাদী লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাকরিতে যোগ দেন।

bt

পোস্টে তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ওমর হাদী দাবি করেছেন যে ওসমান হাদী হত্যার সঙ্গে বিএনপি, অন্তর্বর্তী সরকার ও জামায়াতে ইসলামী জড়িত। ফারুক হাসানের প্রশ্ন, যদি অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টতা থেকেই থাকে, তাহলে সেই সরকারের আমলেই তিনি কীভাবে বিদেশে সরকারি চাকরি গ্রহণ করলেন?

গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা আরও দাবি করেন, ওমর হাদীকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা উচিত। তার ভাষ্যমতে, হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন এবং কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারেন বলে তার ধারণা।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ওমর হাদী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দুটি পোস্টে দাবি করেন, ওসমান হাদী হত্যার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা, বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদীকে ঢাকা-৮ আসনের রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেওয়া হয়েছিল।

ওমর হাদী তার পোস্টে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বানও জানান।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি ওমর বিন হাদীকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গত ১২ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীফ ওসমান হাদী। তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে ওসমান হাদী হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাদি হত্যায় বড় ভাই শরীফ ওমরের সংশ্লিষ্টতা, ‘সন্দেহ’ ফারুক হাসানের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৪৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলাকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র মো. ফারুক হাসান হত্যাকাণ্ডে ওসমান হাদীর বড় ভাই শরীফ ওমর হাদী-এর সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে ফারুক হাসান দাবি করেন, ওসমান হাদী হত্যার ঘটনায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন ওমর হাদী। তার অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পরপরই ওমর হাদী লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ চাকরিতে যোগ দেন।

bt

পোস্টে তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ওমর হাদী দাবি করেছেন যে ওসমান হাদী হত্যার সঙ্গে বিএনপি, অন্তর্বর্তী সরকার ও জামায়াতে ইসলামী জড়িত। ফারুক হাসানের প্রশ্ন, যদি অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টতা থেকেই থাকে, তাহলে সেই সরকারের আমলেই তিনি কীভাবে বিদেশে সরকারি চাকরি গ্রহণ করলেন?

গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা আরও দাবি করেন, ওমর হাদীকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা উচিত। তার ভাষ্যমতে, হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন এবং কোনো না কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারেন বলে তার ধারণা।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ওমর হাদী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দুটি পোস্টে দাবি করেন, ওসমান হাদী হত্যার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা, বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদীকে ঢাকা-৮ আসনের রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেওয়া হয়েছিল।

ওমর হাদী তার পোস্টে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বানও জানান।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি ওমর বিন হাদীকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গত ১২ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হওয়ার পর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীফ ওসমান হাদী। তার মৃত্যুর পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে ওসমান হাদী হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।