ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বরিশাল, ধীরে ধীরে দেবে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চল

শাহ জালাল, বরিশাল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাচ্যের ভেনিসখ্যাত বরিশাল নগরী নীরবে একটি বড় পরিবেশগত ও ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকির দিকে এগোচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১ দশমিক ৬৬ মিলিমিটার করে নিচে নেমে যাচ্ছে নগরীর ভূমি। কোনো কোনো বছরে এই পতনের পরিমাণ প্রায় এক ইঞ্চি পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভবন হেলে পড়ার ঘটনাও শনাক্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে নগরীর অবকাঠামো ও জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

জার্মান সরকারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং জার্মানির ফেডারেল ইনস্টিটিউট ফর জিওসাইন্স অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করে। এতে অর্থায়ন করেছে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা। ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ছয় বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়।

গবেষণায় ভূগর্ভস্থ মাটির নমুনা পরীক্ষা, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন স্থাপনার অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হয়। যদিও গবেষণার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি, তবে বিষয়টি বরিশাল সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হয়েছে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল নগরী ও আশপাশের এলাকায় প্রতিবছরই মাটির স্তর নিচে নামছে। এক বছরে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ১৭ মিলিমিটার ভূমি ধসের রেকর্ড পাওয়া গেছে, যা প্রায় এক ইঞ্চির সমান। একই সময়ে কিছু এলাকায় ভূমি উঁচু হওয়ার তথ্যও মিলেছে। তবে গবেষকদের মতে, এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফল নয়; বরং নিচু এলাকা ভরাটের কারণে সৃষ্ট কৃত্রিম পরিবর্তন।

ভূমি ধসের প্রভাব ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থাপনায় দেখা যাচ্ছে। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানান, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের সময় প্রথমে বিএম কলেজ সংলগ্ন বৌদ্ধপাড়া এলাকায় কয়েকটি ভবনের অস্বাভাবিক ঝুঁকে পড়ার বিষয়টি নজরে আসে। পরে সরেজমিন পরিদর্শনে এর সত্যতা পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, “নতুন নির্মিত একটি বহুতল ভবন সামনের দিকে কয়েক মিলিমিটার হেলে পড়েছে। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ভূগর্ভস্থ মাটির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণেই এমনটি ঘটেছে। বটতলা, করিম কুটিরসহ আরও কয়েকটি এলাকাতেও একই ধরনের ভবন বিচ্যুতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে বরিশালের ভূমি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার ব্যবধান কমে আসবে। ফলে সামান্য জোয়ার কিংবা জলোচ্ছ্বাসেও ব্যাপক প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যদিও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে, তবুও এখন থেকেই পরিকল্পিত নগরায়ণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়া। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ ইমরান বলেন, একসময় ৭০০ থেকে ৮০০ ফুট গভীরেই নিরাপদ সুপেয় পানি পাওয়া যেত। বর্তমানে অনেক স্থানে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ফুট পর্যন্ত গভীরে নলকূপ স্থাপন করতে হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে ৫ থেকে ৭ ফুট নিচেই পানির স্তর পাওয়া গেলেও গ্রীষ্মে সেটি নেমে যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ ফুটে। অথচ ৮ থেকে ১০ বছর আগেও একই সময়ে ১৫ থেকে ২০ ফুট নিচেই পানির স্তর পাওয়া যেত। প্রতিবছরই এই স্তর আরও নিচে নামছে।

বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক বছর আগেও দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় সারা বছর সহজেই টিউবওয়েলের পানি পাওয়া যেত। কিন্তু এখন গ্রীষ্ম মৌসুমে অনেক এলাকায় ডিপ টিউবওয়েলেও পানি ওঠে না। রায়পাশা-কড়াপুর, বাবুগঞ্জের পাংশাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিচ্ছে পানির সংকট।

মানবাধিকার কর্মী ও পরিবেশ ফেলো মুরাদ আহম্মেদের মতে, গড়ে কয়েক মিলিমিটার ভূমি ধসকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আজকের এই ক্ষুদ্র পতনকে যদি ৫০ বা ১০০ বছরের হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বোঝা যাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকি কতটা ভয়াবহ। একসময় সমুদ্রপৃষ্ঠ ও নগরীর ভূমি প্রায় সমান উচ্চতায় চলে আসতে পারে। তখন সামান্য জোয়ারেও প্লাবিত হবে বিস্তীর্ণ এলাকা।’

গবেষণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, প্রকৃতির আচরণ সবসময় পূর্বাভাস অনুযায়ী চলে না। তবে গবেষণায় এখন পর্যন্ত যে প্রবণতা দেখা গেছে, তাতে ভূমি ক্রমাগত নিচে নামছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

তার মতে, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নদী, খাল ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে হয়তো ভবিষ্যতের বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে বরিশালের কিছু এলাকা মারাত্মক প্লাবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তখন শুধু অবকাঠামো নয়, পুরো অঞ্চলের বাসযোগ্যতাই বড় প্রশ্নের মুখে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বরিশাল, ধীরে ধীরে দেবে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

প্রাচ্যের ভেনিসখ্যাত বরিশাল নগরী নীরবে একটি বড় পরিবেশগত ও ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকির দিকে এগোচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১ দশমিক ৬৬ মিলিমিটার করে নিচে নেমে যাচ্ছে নগরীর ভূমি। কোনো কোনো বছরে এই পতনের পরিমাণ প্রায় এক ইঞ্চি পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভবন হেলে পড়ার ঘটনাও শনাক্ত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে নগরীর অবকাঠামো ও জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

জার্মান সরকারের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর এবং জার্মানির ফেডারেল ইনস্টিটিউট ফর জিওসাইন্স অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস যৌথভাবে এ গবেষণা পরিচালনা করে। এতে অর্থায়ন করেছে জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা। ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ছয় বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়।

গবেষণায় ভূগর্ভস্থ মাটির নমুনা পরীক্ষা, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন স্থাপনার অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হয়। যদিও গবেষণার পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি, তবে বিষয়টি বরিশাল সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হয়েছে।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল নগরী ও আশপাশের এলাকায় প্রতিবছরই মাটির স্তর নিচে নামছে। এক বছরে সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ১৭ মিলিমিটার ভূমি ধসের রেকর্ড পাওয়া গেছে, যা প্রায় এক ইঞ্চির সমান। একই সময়ে কিছু এলাকায় ভূমি উঁচু হওয়ার তথ্যও মিলেছে। তবে গবেষকদের মতে, এটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফল নয়; বরং নিচু এলাকা ভরাটের কারণে সৃষ্ট কৃত্রিম পরিবর্তন।

ভূমি ধসের প্রভাব ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থাপনায় দেখা যাচ্ছে। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা জানান, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের সময় প্রথমে বিএম কলেজ সংলগ্ন বৌদ্ধপাড়া এলাকায় কয়েকটি ভবনের অস্বাভাবিক ঝুঁকে পড়ার বিষয়টি নজরে আসে। পরে সরেজমিন পরিদর্শনে এর সত্যতা পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, “নতুন নির্মিত একটি বহুতল ভবন সামনের দিকে কয়েক মিলিমিটার হেলে পড়েছে। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ভূগর্ভস্থ মাটির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণেই এমনটি ঘটেছে। বটতলা, করিম কুটিরসহ আরও কয়েকটি এলাকাতেও একই ধরনের ভবন বিচ্যুতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে বরিশালের ভূমি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতার ব্যবধান কমে আসবে। ফলে সামান্য জোয়ার কিংবা জলোচ্ছ্বাসেও ব্যাপক প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যদিও এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে, তবুও এখন থেকেই পরিকল্পিত নগরায়ণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাওয়া। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ ইমরান বলেন, একসময় ৭০০ থেকে ৮০০ ফুট গভীরেই নিরাপদ সুপেয় পানি পাওয়া যেত। বর্তমানে অনেক স্থানে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ফুট পর্যন্ত গভীরে নলকূপ স্থাপন করতে হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে ৫ থেকে ৭ ফুট নিচেই পানির স্তর পাওয়া গেলেও গ্রীষ্মে সেটি নেমে যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ ফুটে। অথচ ৮ থেকে ১০ বছর আগেও একই সময়ে ১৫ থেকে ২০ ফুট নিচেই পানির স্তর পাওয়া যেত। প্রতিবছরই এই স্তর আরও নিচে নামছে।

বরিশাল নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক বছর আগেও দক্ষিণাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় সারা বছর সহজেই টিউবওয়েলের পানি পাওয়া যেত। কিন্তু এখন গ্রীষ্ম মৌসুমে অনেক এলাকায় ডিপ টিউবওয়েলেও পানি ওঠে না। রায়পাশা-কড়াপুর, বাবুগঞ্জের পাংশাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিচ্ছে পানির সংকট।

মানবাধিকার কর্মী ও পরিবেশ ফেলো মুরাদ আহম্মেদের মতে, গড়ে কয়েক মিলিমিটার ভূমি ধসকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ‘আজকের এই ক্ষুদ্র পতনকে যদি ৫০ বা ১০০ বছরের হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বোঝা যাবে ভবিষ্যতের ঝুঁকি কতটা ভয়াবহ। একসময় সমুদ্রপৃষ্ঠ ও নগরীর ভূমি প্রায় সমান উচ্চতায় চলে আসতে পারে। তখন সামান্য জোয়ারেও প্লাবিত হবে বিস্তীর্ণ এলাকা।’

গবেষণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, প্রকৃতির আচরণ সবসময় পূর্বাভাস অনুযায়ী চলে না। তবে গবেষণায় এখন পর্যন্ত যে প্রবণতা দেখা গেছে, তাতে ভূমি ক্রমাগত নিচে নামছে। এই প্রক্রিয়া বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

তার মতে, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নদী, খাল ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে অপরিকল্পিত নগরায়ণ। এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে হয়তো ভবিষ্যতের বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে বরিশালের কিছু এলাকা মারাত্মক প্লাবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তখন শুধু অবকাঠামো নয়, পুরো অঞ্চলের বাসযোগ্যতাই বড় প্রশ্নের মুখে পড়বে।