স্থানীয় সরকার নির্বাচন
একক লড়াইয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটের বাইরে গিয়ে এককভাবে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলীয় প্রতীক বাতিল হওয়ায় প্রতিটি দলই নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ হিসেবে দেখছে এই নির্বাচনকে।
নির্বাচন কমিশন আগামী এক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থী ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা।
বিজয়ের ধারা ধরে রাখতে চায় বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়ের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চায় বিএনপি। দলীয় সূত্র জানায়, প্রতীক না থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তৃণমূলের বিরোধ নিয়ন্ত্রণ, সাংগঠনিক সমন্বয় এবং সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রমকে ভোটারদের সামনে তুলে ধরার কৌশল নিয়েছে দলটি। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
তৃণমূলের শক্তি যাচাইয়ে জামায়াত
সংসদ নির্বাচনে জোটে অংশ নিলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলীয় সূত্র বলছে, ইতোমধ্যে ১২টি সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। তরুণ নেতৃত্ব ও ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
জামায়াত নেতারা মনে করছেন, জোটের চেয়ে এককভাবে নির্বাচন করেই তারা সাংগঠনিক শক্তি আরও ভালোভাবে যাচাই করতে পারবেন।
আগেভাগেই মাঠে এনসিপি
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সবচেয়ে আগে প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পদে ইতোমধ্যে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে দলটি।
দলটির নেতারা বলছেন, যোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভবিষ্যতে জোটগত আলোচনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন
সরকার ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের বিধান বাতিল করেছে। বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, প্রায় ৪৯০টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টির বেশি পৌরসভা এবং ৬১টি জেলা পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ধারণা, ডিসেম্বর থেকেই শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বড় পরিসরের কার্যক্রম।




















