ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দীর্ঘদিনের টিনের চালাঘর পেরিয়ে কুড়িগ্রামে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক ভাওয়াইয়া পরিষদ ভবন পাকিস্তান থেকে আসা ১৫০ টন তামাক আটক, রাজস্ব ফাঁকির সন্দেহ নিখোঁজের সাড়ে ৩ বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল মহব্বত আলীর কঙ্কাল জটিল রোগে আক্রান্তদের পাশে সরকার, আরও বাড়বে চিকিৎসা সহায়তা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ২৫ শতাংশ সরকারি ভাতা পেয়েছেন: এমপি জামাল সিইসি ও ইসি সচিবের বিরুদ্ধে আঁতাতের অভিযোগ গোলাম পরওয়ারের বেতন-ভাতার বাইরে অনৈতিক সুবিধা, খুলনা রেঞ্জে প্রত্যাহার ২৮ পুলিশ সদস্য শীতের সবজি উঠলেও কমছে না দাম; নতুন আলু ১৬০, দেশি টমেটো ২২০ টাকা মাছ ধরতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না, বজ্রপাতে প্রাণ গেল ছয়জনের গোরস্থানের ভেতর থেকে ১ কেজি ৩৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

সিলেট ব্যুরো
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

নিহত রায়হান ও পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক আকবর

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় পুলিশের দুই কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশীদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অপর তিন আসামি বহিষ্কৃত এসআই আশেক এলাহী, এসআই হাসান উদ্দিন ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার প্রধান আসামি এসআই আকবর পলাতক রয়েছেন। তিনি কোতোয়ালি মডেল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন না; বরং বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই হিসেবে রায়হান হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত হন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। পরে তাঁর জামিন স্থগিত করে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা না মেনে পলাতক রয়েছেন।

ফাঁড়িতে নির্যাতনের পর হাসপাতালে মৃত্যু

২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে আখালিয়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে (৩৪) নির্যাতন করা হয়। পরদিন ১১ অক্টোবর সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সিলেটে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ শুরু হয়। ঘটনার পর এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার আকবর

মামলার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কনস্টেবল হারুন অর রশীদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কানাইঘাটের দনা সীমান্ত থেকে ভারতীয় খাসিয়াদের সহযোগিতায় প্রধান আসামি এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২১ সালের ৫ মে পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ড

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সিলেটের আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় পুলিশের দুই কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুন অর রশীদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অপর তিন আসামি বহিষ্কৃত এসআই আশেক এলাহী, এসআই হাসান উদ্দিন ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার প্রধান আসামি এসআই আকবর পলাতক রয়েছেন। তিনি কোতোয়ালি মডেল থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন না; বরং বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই হিসেবে রায়হান হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত হন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। পরে তাঁর জামিন স্থগিত করে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা না মেনে পলাতক রয়েছেন।

ফাঁড়িতে নির্যাতনের পর হাসপাতালে মৃত্যু

২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে আখালিয়া এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে (৩৪) নির্যাতন করা হয়। পরদিন ১১ অক্টোবর সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সিলেটে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ শুরু হয়। ঘটনার পর এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।

সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার আকবর

মামলার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কনস্টেবল হারুন অর রশীদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কানাইঘাটের দনা সীমান্ত থেকে ভারতীয় খাসিয়াদের সহযোগিতায় প্রধান আসামি এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২১ সালের ৫ মে পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।