৩৫ বছরের পর আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তি নয়, বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। তবে বর্তমানে এলএলবি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নতুন এ সিদ্ধান্ত ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বার কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তালিকাভুক্তির আবেদন গ্রহণ, প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পরবর্তী কার্যক্রমে এ বয়সসীমা অনুসরণ করা হবে।
এতদিন সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল না
বার কাউন্সিল জানায়, এতদিন আইন পেশায় প্রবেশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর নির্ধারিত থাকলেও সর্বোচ্চ কোনো বয়সসীমা ছিল না। ফলে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করে বিভিন্ন বয়সের প্রার্থীরা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সুযোগ পেতেন।
২০২৪ সালের আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে বার কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণের সুপারিশ করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৯ আগস্টের সভায় ৩৫ বছর বয়সসীমার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
২০৩০ সাল থেকে কার্যকর
বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন বয়সসীমা কার্যকর হবে ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। বর্তমানে এলএলবি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যাতে নতুন নিয়মের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই কার্যকরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম চালু হলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন ও সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ফলে আইন পেশায় প্রবেশের পরিকল্পনা করছেন—এমন প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।





















