জাল সনদে বিসিএসে সুপারিশ, দুই প্রার্থীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
দুর্নীতির মামলায় ৩৮তম বিসিএসে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত দুই প্রার্থী সঞ্জয় দাস ও আবু সালেহ মো. মুসার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাঁদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
জাল সনদে পিএসসিকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে সঞ্জয় দাস ও আবু সালেহ মো. মুসা অসৎ উপায়ে আর্থিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তাঁরা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল সনদ তৈরি করে সেগুলো প্রকৃত ও বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) বিভ্রান্ত করেন তাঁরা। এতে পিএসসি ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত হয় বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদন অনুযায়ী, সঞ্জয় দাস ৩৮তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে এবং আবু সালেহ মো. মুসা পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। পরে তাঁরা চাকরিতে যোগ দিয়ে বেতন-ভাতাসহ সরকারি অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রতীয়মান হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিষেধাজ্ঞা
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান। এ অবস্থায় বিশ্বস্ত সূত্রে আসামিদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
দুদকের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দুই আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।





















