একই দিনে দুই শিশুকে ঘিরে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে একই দিনে পৃথক দুটি শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর মামলার অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের কলিগাঁও এবং লেহেম্বা ইউনিয়নের পদমপুর হাজিপাড়া গ্রামে ঘটনা দুটি ঘটে।
শিশুকে বাড়িতে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কলিগাঁও গ্রামের মোশাররফ মোড়ল (৬৫) এক দিনমজুরের ১২ বছর বয়সী মেয়েকে মোবাইল ফোনে নাটক দেখানোর কথা বলে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন বলে অভিযোগ।
ওই সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
বাড়ি ফিরে শিশুটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।
একপর্যায়ে কলিগাঁও গ্রামের ক্লাবের মোড়ে মোশাররফকে ঘিরে ফেলেন বিক্ষুব্ধ লোকজন। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন ঘণ্টা তিনি সেখানে অবরুদ্ধ ছিলেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। পরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার পর মোশাররফকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মসজিদের টয়লেটের দিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে লেহেম্বা ইউনিয়নের পদমপুর হাজিপাড়া গ্রামে ৯ বছর বয়সী আরেক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এনামুল হক (৫৫) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, এনামুল ওই শিশুকে মসজিদের টয়লেটের দিকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় অন্য একটি শিশু ঘটনাটি দেখে ফেললে অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে রাতে থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা করা হয়।
একজন গ্রেপ্তার, অপরজন পলাতক
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। একটি মামলায় ৬৫ বছর বয়সী একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অপর মামলার অভিযুক্ত এনামুল হক পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।
ঘটনা দুটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মামলায় ওঠা অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
























