ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা পবিপ্রবিতে আধুনিক দুই গবেষণাগারের উদ্বোধন, মৎস্যজাত পণ্যের মান যাচাইয়ে নতুন সম্ভাবনা ঝালকাঠিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বাসকে জরিমানা দিনমজুর বাবার সংগ্রাম পেরিয়ে জজ হলেন কাজল জামালপুর সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ জিও ব্যাগের আড়ালে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন-বিক্রি, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে ৪ মাসে গ্রাম আদালতে ১ হাজার ১৪৭ মামলা নিষ্পত্তি পাবনায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জের বরাদ্দের সার ইসলামপুরে নেওয়ার সময় জব্দ, আটক ৭ বস্তা বেলার মামলায় আটকে কক্সবাজারের ১২৮ কোটি টাকার সড়ক

পবিপ্রবিতে আধুনিক দুই গবেষণাগারের উদ্বোধন, মৎস্যজাত পণ্যের মান যাচাইয়ে নতুন সম্ভাবনা

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য ও সামুদ্রিক খাদ্যপণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও আধুনিক গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) একটি গবেষণাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়ন এবং নতুন একটি আধুনিক গবেষণাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে পূর্বের ‘Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory’-এর সংস্কার ও আধুনিকায়নকৃত অংশ এবং খামার ভবনে নবনির্মিত ‘Advanced Analytical Laboratory’ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গবেষণাগার দুটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন HEAT-ATF Sub-project (PIN-13571)-এর সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (SPM) ও ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।

উদ্বোধনের শুরুতে ভাইস-চ্যান্সেলর সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory পরিদর্শন করেন। পরে খামার ভবনে গিয়ে নবনির্মিত Advanced Analytical Laboratory-এর নামফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সময় সংশ্লিষ্ট ল্যাব ও প্রকল্পের ওয়েবসাইটও উদ্বোধন করা হয়।

পরে অতিথিরা ল্যাবের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ল্যাবে স্থাপিত আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, গবেষণায় এর গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করেন। কোন যন্ত্রের মাধ্যমে কী ধরনের নমুনা প্রস্তুত, বিশ্লেষণ ও গবেষণা করা যাবে, সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ফ্লুরোসেন্স ফিঙ্গারপ্রিন্টিংয়ে গুরুত্ব

নতুন Advanced Analytical Laboratory-এর অন্যতম প্রধান গবেষণার ক্ষেত্র হলো Fluorescence Fingerprint coupled with Chemometrics প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক খাদ্য ও মৎস্যজাত পণ্যের গুণমান ও নিরাপত্তা দ্রুত, আধুনিক এবং non-invasive পদ্ধতিতে বিশ্লেষণের প্রযুক্তি উন্নয়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত HEAT উপপ্রকল্পের আওতায় এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির শিরোনাম ‘Development of a rapid, non-invasive and eco-friendly technology for seafood quality and safety analysis using Fluorescence Fingerprint coupled with chemometrics’।

গবেষণার মাধ্যমে মাছ ও অন্যান্য seafood-এর freshness, quality, chemical changes, authenticity এবং বিভিন্ন quality ও safety indicator দ্রুত মূল্যায়নের জন্য fluorescence signal ও chemometric modelling ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণেও সম্ভাবনা

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রচলিত পদ্ধতিতে সামুদ্রিক খাদ্য ও জলজ খাদ্যপণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণে নমুনা প্রস্তুতসহ বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে তুলনামূলকভাবে বেশি সময়, শ্রম ও জটিলতার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণে প্রচলিত পদ্ধতিতে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এর বিপরীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টিংভিত্তিক আধুনিক বিশ্লেষণাত্মক প্রযুক্তির মাধ্যমে নমুনার রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য দ্রুত বিশ্লেষণ করা সম্ভব। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া খাদ্যপণ্যে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল বা অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান শনাক্তকরণেও ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রযুক্তি কার্যকর হতে পারে। তুলনামূলকভাবে সহজ নমুনা প্রস্তুতির মাধ্যমে খাদ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।

রয়েছে আধুনিক বিশ্লেষণী যন্ত্রপাতি

Advanced Analytical Laboratory-তে গবেষণা ও নমুনা বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সহায়ক সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে Fluorescence Fingerprinting Instruments এবং Fourier Transform Infrared (FTIR) Spectroscopy। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৫ ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে ল্যাবটিতে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই গবেষণাগার শুধু আধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ একটি ল্যাব নয়; দেশের মৎস্য ও seafood খাতে দ্রুত, পরিবেশবান্ধব, non-invasive এবং আধুনিক মান যাচাই প্রযুক্তি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পবিত্র দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, গবেষক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পবিপ্রবিতে আধুনিক দুই গবেষণাগারের উদ্বোধন, মৎস্যজাত পণ্যের মান যাচাইয়ে নতুন সম্ভাবনা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৎস্য ও সামুদ্রিক খাদ্যপণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও আধুনিক গবেষণাকে আরও এগিয়ে নিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) একটি গবেষণাগারের সংস্কার ও আধুনিকায়ন এবং নতুন একটি আধুনিক গবেষণাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে পূর্বের ‘Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory’-এর সংস্কার ও আধুনিকায়নকৃত অংশ এবং খামার ভবনে নবনির্মিত ‘Advanced Analytical Laboratory’ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গবেষণাগার দুটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন HEAT-ATF Sub-project (PIN-13571)-এর সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (SPM) ও ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান।

উদ্বোধনের শুরুতে ভাইস-চ্যান্সেলর সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা Seafood Processing, Quality and Safety Laboratory পরিদর্শন করেন। পরে খামার ভবনে গিয়ে নবনির্মিত Advanced Analytical Laboratory-এর নামফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সময় সংশ্লিষ্ট ল্যাব ও প্রকল্পের ওয়েবসাইটও উদ্বোধন করা হয়।

পরে অতিথিরা ল্যাবের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান ল্যাবে স্থাপিত আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার, গবেষণায় এর গুরুত্ব এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে অতিথিদের অবহিত করেন। কোন যন্ত্রের মাধ্যমে কী ধরনের নমুনা প্রস্তুত, বিশ্লেষণ ও গবেষণা করা যাবে, সে বিষয়েও তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ফ্লুরোসেন্স ফিঙ্গারপ্রিন্টিংয়ে গুরুত্ব

নতুন Advanced Analytical Laboratory-এর অন্যতম প্রধান গবেষণার ক্ষেত্র হলো Fluorescence Fingerprint coupled with Chemometrics প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক খাদ্য ও মৎস্যজাত পণ্যের গুণমান ও নিরাপত্তা দ্রুত, আধুনিক এবং non-invasive পদ্ধতিতে বিশ্লেষণের প্রযুক্তি উন্নয়নের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত HEAT উপপ্রকল্পের আওতায় এ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটির শিরোনাম ‘Development of a rapid, non-invasive and eco-friendly technology for seafood quality and safety analysis using Fluorescence Fingerprint coupled with chemometrics’।

গবেষণার মাধ্যমে মাছ ও অন্যান্য seafood-এর freshness, quality, chemical changes, authenticity এবং বিভিন্ন quality ও safety indicator দ্রুত মূল্যায়নের জন্য fluorescence signal ও chemometric modelling ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণেও সম্ভাবনা

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রচলিত পদ্ধতিতে সামুদ্রিক খাদ্য ও জলজ খাদ্যপণ্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণে নমুনা প্রস্তুতসহ বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে তুলনামূলকভাবে বেশি সময়, শ্রম ও জটিলতার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্তকরণে প্রচলিত পদ্ধতিতে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

এর বিপরীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টিংভিত্তিক আধুনিক বিশ্লেষণাত্মক প্রযুক্তির মাধ্যমে নমুনার রাসায়নিক ও ভৌত বৈশিষ্ট্য দ্রুত বিশ্লেষণ করা সম্ভব। গবেষণায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ ছাড়া খাদ্যপণ্যে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল বা অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান শনাক্তকরণেও ফিঙ্গারপ্রিন্টিং প্রযুক্তি কার্যকর হতে পারে। তুলনামূলকভাবে সহজ নমুনা প্রস্তুতির মাধ্যমে খাদ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।

রয়েছে আধুনিক বিশ্লেষণী যন্ত্রপাতি

Advanced Analytical Laboratory-তে গবেষণা ও নমুনা বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সহায়ক সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে Fluorescence Fingerprinting Instruments এবং Fourier Transform Infrared (FTIR) Spectroscopy। এ ছাড়া আরও প্রায় ১৫ ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে ল্যাবটিতে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই গবেষণাগার শুধু আধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ একটি ল্যাব নয়; দেশের মৎস্য ও seafood খাতে দ্রুত, পরিবেশবান্ধব, non-invasive এবং আধুনিক মান যাচাই প্রযুক্তি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে পবিত্র দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, গবেষক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।