ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামালপুর সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ জিও ব্যাগের আড়ালে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন-বিক্রি, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে ৪ মাসে গ্রাম আদালতে ১ হাজার ১৪৭ মামলা নিষ্পত্তি পাবনায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জের বরাদ্দের সার ইসলামপুরে নেওয়ার সময় জব্দ, আটক ৭ বস্তা বেলার মামলায় আটকে কক্সবাজারের ১২৮ কোটি টাকার সড়ক রামগতিতে বিএনপি-জেএসডিসহ বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, রতন গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ ধরা যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো

জিও ব্যাগের আড়ালে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন-বিক্রি, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের জন্য বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বালু তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সাধুরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গাজিউর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বালু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি এ অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইরমারী খানপাড়া এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের জন্য যতটুকু বালু প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অতিরিক্ত উত্তোলন করা বালুর একটি অংশ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গাজিউর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা ভেঙে গেছে। সেখানে বালু দেওয়া হচ্ছে।’

বালু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন গাড়িচালক জানান, উত্তোলন করা সব বালু বকশীগঞ্জে ব্যবহার করা হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, উত্তোলিত বালুর একটি অংশ অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মান্না নামে এক ব্যবসায়ী এসব বালু কিনেছেন বলেও তাঁরা জানান।

এ বিষয়ে মান্নার ছেলে বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা গাজিউর রহমান মোল্লার বালু। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।’

বিষয়টি সম্পর্কে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। জিও ব্যাগ ডাম্পিং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নকিবুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের ইমার্জেন্সি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। কেউ যদি বালু উত্তোলন করে রেখে বিক্রি করে, তাহলে সেটা আইনবহির্ভূত।’

স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জিও ব্যাগের আড়ালে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন-বিক্রি, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের জন্য বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বালু তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সাধুরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গাজিউর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বালু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি এ অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইরমারী খানপাড়া এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের জন্য যতটুকু বালু প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অতিরিক্ত উত্তোলন করা বালুর একটি অংশ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গাজিউর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা ভেঙে গেছে। সেখানে বালু দেওয়া হচ্ছে।’

বালু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন গাড়িচালক জানান, উত্তোলন করা সব বালু বকশীগঞ্জে ব্যবহার করা হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, উত্তোলিত বালুর একটি অংশ অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মান্না নামে এক ব্যবসায়ী এসব বালু কিনেছেন বলেও তাঁরা জানান।

এ বিষয়ে মান্নার ছেলে বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা গাজিউর রহমান মোল্লার বালু। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।’

বিষয়টি সম্পর্কে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। জিও ব্যাগ ডাম্পিং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নকিবুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের ইমার্জেন্সি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। কেউ যদি বালু উত্তোলন করে রেখে বিক্রি করে, তাহলে সেটা আইনবহির্ভূত।’

স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।