ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, রতন গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ ধরা যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেসির পর আর্জেন্টিনার নতুন অধিনায়ক রোমেরো মেচেতা ও মুখের দাগছোপ কমাতে যেসব থেরাপি করা হয় ১০ দিনে নতুন চুল? এই ৫ বীজ নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা ঘাড়ে ব্যথা হলে বালিশ রোদে দিলে কি সত্যিই উপকার মেলে? অভিবাসন নীতি কঠোর করার আলোচনা, মিউনিখে ইইউর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা ঝটিকা মিছিলের পর ফেরার বার্তা আওয়ামী লীগের, পাল্টা মাঠে বিএনপি রাড্ডা ক্লিনিকে হামলার নেপথ্যে নারী এমপি? উঠছে নানা প্রশ্ন বিশ্বমানের পর্যটনশিল্প গড়তে সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

পুরনো ছবি

বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীরা।

সফরকালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া ওই বক্তব্যে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। সংঘাত মোকাবিলায় সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সরকারের ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই কৌশলের মাধ্যমে দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানান তিনি।

নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ ছাড়া তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন তিনি।

সফরের শুরুতে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নেওয়া নেতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তারা।

পাঁচ দিনের এই সফরে জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ সফরসঙ্গীরা।

সফরকালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া ওই বক্তব্যে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। সংঘাত মোকাবিলায় সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সরকারের ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘থ্রি-আর’ কৌশলের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই কৌশলের মাধ্যমে দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানান তিনি।

নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ ছাড়া তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন তিনি।

সফরের শুরুতে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নেওয়া নেতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তারা।

পাঁচ দিনের এই সফরে জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।