১০ দিনে নতুন চুল? এই ৫ বীজ নিয়ে যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৯:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
ঘন, লম্বা ও ঝলমলে চুলের আকাঙ্ক্ষা সবারই। তাই চুল দ্রুত বাড়ানোর নানা টোটকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ভাইরাল হয়। সম্প্রতি এমনই একটি দাবিতে আলোচনায় এসেছে পাঁচ ধরনের বীজ—কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তিসি, তিল ও চিয়া সিড। তবে মাত্র ১০ দিনে মাথাভর্তি নতুন চুল গজিয়ে যাবে—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
তবে এসব বীজে থাকা জিঙ্ক, আয়রন, ওমেগা-৩, প্রোটিন, ভিটামিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট চুল ও মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এগুলো রাখা যেতে পারে।
১. কুমড়োর বীজ
জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস কুমড়োর বীজ। পুষ্টির ঘাটতি থাকলে চুলের স্বাস্থ্যে এটি উপকারী হতে পারে। দৈনিক প্রায় এক টেবিল চামচ খাওয়া যেতে পারে।
২. সূর্যমুখীর বীজ
ভিটামিন ই, সেলেনিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে এতে। এসব পুষ্টি উপাদান সামগ্রিকভাবে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরিমিত পরিমাণে প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।
৩. তিসির বীজ
উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস তিসি। এতে ফাইবার ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। হালকা ভেজে গুঁড়া করে খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
৪. তিল
তিলে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ও কপারসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় পরিমিত তিল রাখা চুলের পাশাপাশি সামগ্রিক পুষ্টির জন্যও উপকারী হতে পারে।
৫. চিয়া সিড
ওমেগা-৩, প্রোটিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ চিয়া সিডও পুষ্টিকর একটি খাবার। পানিতে ভিজিয়ে বা খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়।
একসঙ্গে পাঁচটি খাওয়ার দরকার নেই
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন পাঁচ ধরনের বীজ একসঙ্গে খাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে ২–৩ ধরনের বীজ ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি, ফল ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও জরুরি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—শুধু বীজ খেলেই ১০ দিনে নতুন চুল গজানোর নিশ্চয়তা নেই। হরমোনের সমস্যা, পুষ্টির ঘাটতি, বংশগত কারণ বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে চুল পড়লে কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চুল পড়া বা নতুন চুল না গজানোর সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।





















