মেচেতা ও মুখের দাগছোপ কমাতে যেসব থেরাপি করা হয়

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১০:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা, কালচে ছোপ কিংবা মেচেতার দাগ দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা কমাতে এখন বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি-পিগমেন্টেশন ও লেজার থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তবে ত্বকের ধরন ও সমস্যার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসাপদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই এসব থেরাপি করা উচিত।
ডার্মাপেন মাইক্রোনিডলিং ও পেপটাইড লেয়ারিং
এই পদ্ধতিতে অ্যান্টি-পিগমেন্টেশন ক্রিমের সঙ্গে ডার্মাপেন ব্যবহার করা হয়। প্রথমে ত্বক পরিষ্কার করে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম প্রয়োগ করা হয়। এরপর ডার্মাপেনের মাধ্যমে ত্বকে অতি সূক্ষ্ম মাইক্রো-চ্যানেল তৈরি করা হয়। এসব চ্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন সিরাম বা উপাদান ত্বকের ভেতরে পৌঁছে দেওয়া হয়।
পেপটাইড ত্বকের কোলাজেনসহ বিভিন্ন প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। এ ধরনের থেরাপি ত্বকের গঠন ও দাগছোপের উন্নতিতে ব্যবহার করা হয়।
তবে ত্বকে সক্রিয় র্যাশ, চর্মরোগ বা অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাইক্রোনিডলিং করা উচিত নয়।
পিক্সেল লেজার থেরাপি
লেজারের মাধ্যমে ত্বকের নির্দিষ্ট স্তরে নিয়ন্ত্রিত শক্তি প্রয়োগ করে পিগমেন্টেশন ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা কমানোর চেষ্টা করা হয়। আইপিএলসহ কিছু লেজারভিত্তিক চিকিৎসা কালচে দাগ, সূর্যের কারণে হওয়া পিগমেন্টেশন এবং বয়সের ছাপ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
মেচেতা, ব্রণের দাগ, হাইপারপিগমেন্টেশন, উন্মুক্ত রন্ধ্র কিংবা বয়সজনিত ত্বকের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে এ ধরনের থেরাপি বিবেচনা করা যেতে পারে।
তবে সোরিয়াসিস, একজিমার মতো সক্রিয় চর্মরোগ থাকলে লেজার থেরাপির আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন।
খরচ ও সতর্কতা
দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিক্সেল লেজার থেরাপির প্রতি সেশনে আনুমানিক ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। লেজার চিকিৎসার পর কয়েকদিন ত্বকে লালচে ভাব থাকতে পারে। এ সময় চিকিৎসকের দেওয়া ত্বকের যত্নের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।
গুরুত্বপূর্ণ: মেচেতা বা মুখের দাগের কারণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম। লেজার বা মাইক্রোনিডলিং সব ধরনের মেচেতার জন্য সমানভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। থেরাপি নেওয়ার আগে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে সমস্যার কারণ ও ত্বকের ধরন নির্ণয় করানো নিরাপদ।





















