ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে ঘুম নেই, সকালে ক্লান্তি! ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’-এর লক্ষণ চিনবেন যেভাবে কৃত্রিম রুম ফ্রেশনার নয়, ঘর মাতুক ৬ সুগন্ধি ফুলের গাছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবির আভাস, সমর্থন নেমে ৩৬ শতাংশে নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন শরীরী দৃশ্যে আপত্তি রশ্মিকার গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পাসওয়ার্ড ছাড়াই সার্ভারে হামলার শঙ্কা, সতর্কতায় কয়েকটি সাইট স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সেচ পাম্প সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিব

বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

বিশেষ প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর অন্যতম পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের সনদ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগের অনুসন্ধানে এবার এসব শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকরা বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান।

কেন ডাকা হলো ২৩ শিক্ষককে?

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা কিংবা চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ কারণে নোটিশে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে শিক্ষকদের কলেজ কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

শুধু মৌখিক বক্তব্য নয়, সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে দুদক। প্রত্যেক শিক্ষককে বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

হাজির না হলে কী হবে?

নির্ধারিত সময়ে কোনো শিক্ষক হাজির না হলে বিষয়টি অনুসন্ধানে অসহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে নোটিশে সতর্ক করেছে দুদক।

অর্থাৎ, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদ ও বক্তব্য দুটিই পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আসছে।

তলবের তালিকায় যারা

দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সুলাইমান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কাবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নুরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমীন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন. এম. মঞ্জুরুল হক।

তবে দুদকের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলা যাচ্ছে না। সনদগুলোর বৈধতা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে চাকরি, ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর অন্যতম পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের সনদ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগের অনুসন্ধানে এবার এসব শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত শিক্ষকরা বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান।

কেন ডাকা হলো ২৩ শিক্ষককে?

দুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া বা জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা কিংবা চাকরি করার অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এ কারণে নোটিশে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে শিক্ষকদের কলেজ কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

শুধু মৌখিক বক্তব্য নয়, সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে দুদক। প্রত্যেক শিক্ষককে বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়েছে।

হাজির না হলে কী হবে?

নির্ধারিত সময়ে কোনো শিক্ষক হাজির না হলে বিষয়টি অনুসন্ধানে অসহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে নোটিশে সতর্ক করেছে দুদক।

অর্থাৎ, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সনদ ও বক্তব্য দুটিই পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আসছে।

তলবের তালিকায় যারা

দুদকের নোটিশ অনুযায়ী, তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সুলাইমান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কাবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান শেখ, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নুরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমীন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন এবং এন. এম. মঞ্জুরুল হক।

তবে দুদকের অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলা যাচ্ছে না। সনদগুলোর বৈধতা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।