এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যু: গ্রেপ্তার মামা ওবায়দুর

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:০০:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এবার গ্রেপ্তার হয়েছেন মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমান।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-২)। পরে মামলাটি তদন্তকারী ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মিরপুর থেকে ওবায়দুরকে গ্রেপ্তারের পর ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এসআরবি-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওবায়দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যেহেতু মামলাটি ডিবি তদন্ত করছে, তাই তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ওবায়দুরের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
মামলার পর গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার নথি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের বিয়ে, পরবর্তী পারিবারিক পরিস্থিতি এবং তাঁর মৃত্যুর পেছনে কারও প্ররোচনা ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
ওবায়দুর রহমান গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করতেন বলে মামলার সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের সম্পর্ক ও বিয়েকে ঘিরে ওবায়দুরের ভূমিকা নিয়ে পরিবারের অভিযোগের কথাও এসেছে।
ওবায়দুরকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তিন আসামিই এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজত বা আদালতের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। মামলার তদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগগুলোর পেছনের তথ্য এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।






















