ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, ঢাকায় ২০০টির বেশি চেকপোস্ট বর্জ্য দিলেই মিলছে নিত্যপণ্য, সোয়ারীঘাটে ভাসমান বাজার গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের মানিকগঞ্জে একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও দেড় মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার শাহজালাল মাজারের ডেকচিতে ‘ছাত্রলীগের’ কমিটি শাহজালাল মাজারের ডেকচিতে হাসিনাকে নিয়ে সাবেক ডিসি সারোয়ারের পোস্ট সেলাই মেশিনে ঘুরবে সংসারের চাকা, স্বপ্ন দেখছেন পাহাড়ের নারীরা সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ এক কাঠামোয়, অভিন্ন সিলেবাসে সনদ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা বিরোধী দলের লংমার্চ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি

বর্জ্য দিলেই মিলছে নিত্যপণ্য, সোয়ারীঘাটে ভাসমান বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বুড়িগঙ্গা নদীকে প্লাস্টিক ও বর্জ্যদূষণ থেকে রক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে চালু হয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’। এখানে নদীর তীর ও আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য জমা দিলেই উপহার হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে চাল, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সোয়ারীঘাটে একটি সাজানো লঞ্চকে অস্থায়ী ভাসমান বাজার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। নদীর তীর ও আশপাশে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে জমা দিলে তার বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে নদীদূষণ কমানোর চেষ্টা করা যাবে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বাড়বে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, প্রাচীন ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে নদীটির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে।

তিনি বলেন, ‘বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে না পারলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে।’

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার ও জ্বালানি উৎপাদনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে ফেলা হবে না।

এ ছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিএসসিসির প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলছে।

কর্তব্যে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমিয়ে না রাখার এবং জমে থাকা পানি পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এ সময় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বর্জ্য দিলেই মিলছে নিত্যপণ্য, সোয়ারীঘাটে ভাসমান বাজার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুড়িগঙ্গা নদীকে প্লাস্টিক ও বর্জ্যদূষণ থেকে রক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে চালু হয়েছে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘বর্জ্যের বিনিময়ে ভাসমান বাজার’। এখানে নদীর তীর ও আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য জমা দিলেই উপহার হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে চাল, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সোয়ারীঘাটে একটি সাজানো লঞ্চকে অস্থায়ী ভাসমান বাজার হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। নদীর তীর ও আশপাশে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে জমা দিলে তার বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।

উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে নদীদূষণ কমানোর চেষ্টা করা যাবে, অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা বাড়বে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, প্রাচীন ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে নদীটির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে।

তিনি বলেন, ‘বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে না পারলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে।’

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে বিদ্যুৎ, গ্যাস, সার ও জ্বালানি উৎপাদনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বর্জ্য সম্পদে পরিণত হলে তা আর যেখানে-সেখানে ফেলা হবে না।

এ ছাড়া ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে পুনরায় সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিএসসিসির প্রশাসক জানান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে টানা তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলছে।

কর্তব্যে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মশার লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমিয়ে না রাখার এবং জমে থাকা পানি পরিষ্কার করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। এ সময় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।