ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বর্জ্য দিলেই মিলছে নিত্যপণ্য, সোয়ারীঘাটে ভাসমান বাজার গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের মানিকগঞ্জে একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রী ও দেড় মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার শাহজালাল মাজারের ডেকচিতে ‘ছাত্রলীগের’ কমিটি শাহজালাল মাজারের ডেকচিতে হাসিনাকে নিয়ে সাবেক ডিসি সারোয়ারের পোস্ট সেলাই মেশিনে ঘুরবে সংসারের চাকা, স্বপ্ন দেখছেন পাহাড়ের নারীরা সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ এক কাঠামোয়, অভিন্ন সিলেবাসে সনদ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা বিরোধী দলের লংমার্চ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও গবেষণানির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য: পবিপ্রবি উপাচার্য

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনগণের দাবি আদায়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার গণভোটের গণরায় অস্বীকার করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-রংপুর লং মার্চের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। এ দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় কেন মানা হয়নি? ১ হাজার ৪০০ শহীদের সঙ্গে কেন বেইমানি করা হয়েছে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হয়নি?

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনির্বাচিত কাউকে কোথাও বসানো হবে না—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সরকার রক্ষা করেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সব ধরনের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে জনগণের দাবি আদায়ে আট দফা বিলুপ্ত করে এক দফা ঘোষণা করার প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আগামীর লং মার্চ হবে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে, ইনশাআল্লাহ। মা-বোনেরা যেহেতু রাস্তায় নেমে এসেছেন, দাবি আদায় হবে।’

আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে জনগণকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রস্তুত থাকুন। বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে। এই লড়াইয়ে জনগণ বিজয়ী হবে।’

শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, জনগণ যে প্রত্যাশা করেছিল, সরকার তা পূরণ করতে পারছে না। গ্যাস, বিদ্যুৎ, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও তিনি সরকারের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। সংসদে সবকিছুর ফয়সালা হবে। কিন্তু সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করে দেশের ৭০ ভাগ মানুষকে অপমান করেছে।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা থামব না। এ লড়াই চলবে। বাংলাদেশ বদলাবে।’

টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম পারওয়ার।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ড. আহসান হাবীব ইমরোজ, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান রাসেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা কামরুল হাসান, সেক্রেটারি মাওলানা যায়েদ হাবিব এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি আব্দুল আলিমসহ স্থানীয় নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৫:০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনগণের দাবি আদায়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার গণভোটের গণরায় অস্বীকার করে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-রংপুর লং মার্চের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। এ দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ৭০ শতাংশ মানুষের ভোটের রায় কেন মানা হয়নি? ১ হাজার ৪০০ শহীদের সঙ্গে কেন বেইমানি করা হয়েছে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হয়নি?

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনির্বাচিত কাউকে কোথাও বসানো হবে না—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সরকার রক্ষা করেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সব ধরনের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে জনগণের দাবি আদায়ে আট দফা বিলুপ্ত করে এক দফা ঘোষণা করার প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আগামীর লং মার্চ হবে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে, ইনশাআল্লাহ। মা-বোনেরা যেহেতু রাস্তায় নেমে এসেছেন, দাবি আদায় হবে।’

আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে জনগণকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রস্তুত থাকুন। বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক আসবে। এই লড়াইয়ে জনগণ বিজয়ী হবে।’

শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, জনগণ যে প্রত্যাশা করেছিল, সরকার তা পূরণ করতে পারছে না। গ্যাস, বিদ্যুৎ, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও তিনি সরকারের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। সংসদে সবকিছুর ফয়সালা হবে। কিন্তু সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করে দেশের ৭০ ভাগ মানুষকে অপমান করেছে।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা থামব না। এ লড়াই চলবে। বাংলাদেশ বদলাবে।’

টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম পারওয়ার।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ড. আহসান হাবীব ইমরোজ, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান রাসেল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা কামরুল হাসান, সেক্রেটারি মাওলানা যায়েদ হাবিব এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি আব্দুল আলিমসহ স্থানীয় নেতারা।