ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা: বিচার দাবিতে প্রতিবাদের ঢেউ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি—ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রতিবাদকারীরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও নির্মম হত্যার মতো ঘটনা বারবার ঘটলেও কার্যকর বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা সাহস পাচ্ছে। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু শাস্তির দাবি নয়, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক নজরদারি, প্রতিবেশী পর্যায়ে সচেতনতা এবং আইন প্রয়োগে আরও কঠোরতা জরুরি।

দেশের বিভিন্ন জায়গায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘শিশু নির্যাতন বন্ধ করো’, ‘দ্রুত বিচার চাই’ এবং ‘সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করো’—এমন নানা স্লোগান দেন। অনেক জায়গায় মোমবাতি প্রজ্বালন ও নীরব প্রতিবাদও করা হয়।

প্রতিবাদকারীদের দাবি, এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শুধু বিচার নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে রামিসার বাসার সামনে থেকে মিরপুর এ এইচ মডেল স্কুলের ব্যানারে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১ নম্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

অন্যদিকে, হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন, নারীনেত্রী বিবি মরিয়ম, উন্নয়নকর্মী ফারজানা তিথি, ব্যবসায়ী সুমন নূর, অমিত পালসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে দেশে অপরাধ বেড়ে চলেছে। রামিসার পরিবারের হতাশা তারই প্রতিফলন। তারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আট বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। বিচারের দায়িত্ব আদালতের।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিচারহীনতার কথা মানুষ সব সময় বলে থাকে, তবে তা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হয় বলে মানুষ মনে করে বিচার পাবে না। কিন্তু এই ধরনের অপরাধে দ্রুত আইনি ও বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই ঘটনায়ও সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।’

রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “মাগুরার আসিয়া ও ঢাকার রামিসার মতো ঘটনা আমাদের মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

আইনমন্ত্রী জানান, রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হবে এবং এটিকে দ্রুত নিষ্পত্তির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, “এই মামলার বিচার যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এটি একটি উদাহরণ হতে পারে।”

রামিসার বাবার মন্তব্য প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে তার উদ্বেগ অমূলক নয়। মামলার জট কমাতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে না পারলে সমাজে নেতিবাচক বার্তা যায়। সে কারণেই বিচার প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রামিসা হত্যা: বিচার দাবিতে প্রতিবাদের ঢেউ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে দেশজুড়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন শহর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি—ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রতিবাদকারীরা বলছেন, শিশু নির্যাতন ও নির্মম হত্যার মতো ঘটনা বারবার ঘটলেও কার্যকর বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা সাহস পাচ্ছে। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু শাস্তির দাবি নয়, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক নজরদারি, প্রতিবেশী পর্যায়ে সচেতনতা এবং আইন প্রয়োগে আরও কঠোরতা জরুরি।

দেশের বিভিন্ন জায়গায় আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘শিশু নির্যাতন বন্ধ করো’, ‘দ্রুত বিচার চাই’ এবং ‘সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করো’—এমন নানা স্লোগান দেন। অনেক জায়গায় মোমবাতি প্রজ্বালন ও নীরব প্রতিবাদও করা হয়।

প্রতিবাদকারীদের দাবি, এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শুধু বিচার নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার মডেল হাই স্কুলের শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে রামিসার বাসার সামনে থেকে মিরপুর এ এইচ মডেল স্কুলের ব্যানারে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১ নম্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

অন্যদিকে, হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারী অধিকার জোটের সভাপতি লায়লা পারভীন, নারীনেত্রী বিবি মরিয়ম, উন্নয়নকর্মী ফারজানা তিথি, ব্যবসায়ী সুমন নূর, অমিত পালসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে দেশে অপরাধ বেড়ে চলেছে। রামিসার পরিবারের হতাশা তারই প্রতিফলন। তারা অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আট বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোহেল আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এটুকু নিশ্চয়তা দিতে পারি, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে। বিচারের দায়িত্ব আদালতের।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিচারহীনতার কথা মানুষ সব সময় বলে থাকে, তবে তা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার বিলম্বিত হয় বলে মানুষ মনে করে বিচার পাবে না। কিন্তু এই ধরনের অপরাধে দ্রুত আইনি ও বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই ঘটনায়ও সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।’

রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “মাগুরার আসিয়া ও ঢাকার রামিসার মতো ঘটনা আমাদের মনুষ্যত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

আইনমন্ত্রী জানান, রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এক সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হবে এবং এটিকে দ্রুত নিষ্পত্তির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, “এই মামলার বিচার যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এটি একটি উদাহরণ হতে পারে।”

রামিসার বাবার মন্তব্য প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে তার উদ্বেগ অমূলক নয়। মামলার জট কমাতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে না পারলে সমাজে নেতিবাচক বার্তা যায়। সে কারণেই বিচার প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।