পে-স্কেলে বড় সংস্কারের পথে সরকার
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১১:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি, বিচার বিভাগ এবং বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসতে পারেন। আগামী ১ জুলাই থেকে বাড়তি বেতন পেতে যাচ্ছেন।
সূত্রগুলো জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা দেওয়া নবম পে-কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করে একটি পর্যালোচনা কমিটি তা সংশোধন করে তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে নতুন বেসিক বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হতে পারে। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর এবং ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরে ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূর্ণ কাঠামো বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
পে-কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আরও জানা যায়, পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ একবারে বাস্তবায়ন করলে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হতো। তবে মহার্ঘ ভাতা সমন্বয়সহ বিভিন্ন সমন্বয়ের ফলে ব্যয় কমে আনুমানিক ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, কমিশনের মূল প্রতিবেদনে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির যেসব সুপারিশ ছিল, তা পর্যালোচনা কমিটি আংশিকভাবে সীমিত করেছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে কিছু অতিরিক্ত সুবিধা সংক্রান্ত প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে এবং বিদ্যমান কাঠামো বহাল রাখার দিকেই ঝোঁক দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, কমিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদনে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও পেনশন সুবিধা বৃদ্ধির সুপারিশ থাকলেও তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর আয়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও এটি কবে এবং কীভাবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।




















