ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৫৬ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক মাদরাসা ছাত্রীকে (১৪) শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি আবুল খায়েরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে জেলা শহর মাইজদী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার খায়ের সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবাগ্যা গ্রামের আবুল বারেকের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিল ওই ছাত্রী। এ কারণে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তার দাদি চিকিৎসার জন্য তাকে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়েরের কাছে নিয়ে যান। ওই সময় কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে কৌশলে ছাত্রীর দাদিকে বাইরে পাঠিয়ে একপর্যায়ে শিক্ষক তাকে শ্লীলতাহানি করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে বিলম্ব হয়। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল ভিকটিমের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।

এদিকে মামলা দায়েরের পর ভিকটিমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া ভিকটিমের বাড়িতে হামলার ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আবুল খায়েরকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৮:২৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় এক মাদরাসা ছাত্রীকে (১৪) শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি আবুল খায়েরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে জেলা শহর মাইজদী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার খায়ের সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবাগ্যা গ্রামের আবুল বারেকের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নের দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিল ওই ছাত্রী। এ কারণে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তার দাদি চিকিৎসার জন্য তাকে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আবুল খায়েরের কাছে নিয়ে যান। ওই সময় কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে কৌশলে ছাত্রীর দাদিকে বাইরে পাঠিয়ে একপর্যায়ে শিক্ষক তাকে শ্লীলতাহানি করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে বিলম্ব হয়। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ১৫ এপ্রিল ভিকটিমের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।

এদিকে মামলা দায়েরের পর ভিকটিমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় একটি ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষক এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া ভিকটিমের বাড়িতে হামলার ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে আরও একটি মামলা করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আবুল খায়েরকে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।