ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাদা’ বিভিন্ন দেশে শনাক্ত হয়েছে এবং এটি তুলনামূলকভাবে শিশুদের বেশি সংক্রমিত করছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এখন পর্যন্ত এটি গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করছে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমিক্রন পরিবারের ‘বিএ.৩.২’ উপধারার এই ভ্যারিয়েন্ট ইতোমধ্যে ২৩টি দেশে ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যের বর্জ্য পানিতেও এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান কোভিড টিকাগুলোই এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা দিতে সক্ষম, ফলে নতুন টিকার প্রয়োজন নেই। ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের গবেষক ড. অ্যালেক্স গ্রেনিঞ্জার জানান, ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও এটি বৈশ্বিকভাবে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে হয় না।

দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষকদের মতে, ৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে, যদিও এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। কিছু বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেশি হতে পারে।

‘সিকাদা’ নামটি দেওয়া হয়েছে এর দীর্ঘ সময় সুপ্ত থেকে পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি দীর্ঘ সময় কোনো দেহে অবস্থান করে বিবর্তনের মাধ্যমে নতুন রূপে ফিরে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাদা’ বিভিন্ন দেশে শনাক্ত হয়েছে এবং এটি তুলনামূলকভাবে শিশুদের বেশি সংক্রমিত করছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এখন পর্যন্ত এটি গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করছে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমিক্রন পরিবারের ‘বিএ.৩.২’ উপধারার এই ভ্যারিয়েন্ট ইতোমধ্যে ২৩টি দেশে ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যের বর্জ্য পানিতেও এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান কোভিড টিকাগুলোই এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা দিতে সক্ষম, ফলে নতুন টিকার প্রয়োজন নেই। ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের গবেষক ড. অ্যালেক্স গ্রেনিঞ্জার জানান, ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও এটি বৈশ্বিকভাবে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে মনে হয় না।

দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষকদের মতে, ৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে, যদিও এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। কিছু বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেশি হতে পারে।

‘সিকাদা’ নামটি দেওয়া হয়েছে এর দীর্ঘ সময় সুপ্ত থেকে পুনরায় আবির্ভূত হওয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি দীর্ঘ সময় কোনো দেহে অবস্থান করে বিবর্তনের মাধ্যমে নতুন রূপে ফিরে এসেছে।