ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন করতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫১ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি বাধা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকুরেদের রাজনীতিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩ বছরের অপেক্ষার সময়সীমা অপরিবর্তিত থাকছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন।

আদালত এই রায়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, কোনো সামরিক বা বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার ৩ বছর পার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

এর আগে, এই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে চারটি পৃথক রিট আবেদন করা হয়েছিল। রিট আবেদনকারীদের প্রধান যুক্তি ছিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা একটি মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার। এছাড়া ৩ বছরের এই নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) ও সমঅধিকারের মূলনীতির পরিপন্থী।

গত ২৯ নভেম্বর উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। আজ চূড়ান্ত রায়ে আদালত রিট আবেদনগুলো খারিজ করে দেন। এর ফলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট ধারাটি বৈধ হিসেবে গণ্য হলো এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৩ বছরের ‘কুলিং অফ পিরিয়ড’ বাধ্যতামূলক রইল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচন করতে পারবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা!

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের পর নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি বাধা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ফলে সরকারি চাকুরেদের রাজনীতিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩ বছরের অপেক্ষার সময়সীমা অপরিবর্তিত থাকছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন।

আদালত এই রায়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন, কোনো সামরিক বা বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা অবসরে যাওয়ার ৩ বছর পার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

এর আগে, এই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে চারটি পৃথক রিট আবেদন করা হয়েছিল। রিট আবেদনকারীদের প্রধান যুক্তি ছিল, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা একটি মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার। এছাড়া ৩ বছরের এই নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) ও সমঅধিকারের মূলনীতির পরিপন্থী।

গত ২৯ নভেম্বর উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। আজ চূড়ান্ত রায়ে আদালত রিট আবেদনগুলো খারিজ করে দেন। এর ফলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট ধারাটি বৈধ হিসেবে গণ্য হলো এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ৩ বছরের ‘কুলিং অফ পিরিয়ড’ বাধ্যতামূলক রইল।