ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতে ঘুম নেই, সকালে ক্লান্তি! ‘সার্কাডিয়ান ডিপ্রেশন’-এর লক্ষণ চিনবেন যেভাবে কৃত্রিম রুম ফ্রেশনার নয়, ঘর মাতুক ৬ সুগন্ধি ফুলের গাছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবির আভাস, সমর্থন নেমে ৩৬ শতাংশে নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের ৯৮তম জন্মদিন শরীরী দৃশ্যে আপত্তি রশ্মিকার গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে: তথ্যমন্ত্রী পাসওয়ার্ড ছাড়াই সার্ভারে হামলার শঙ্কা, সতর্কতায় কয়েকটি সাইট স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম সেচ পাম্প সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক: হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসচিব

মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসবেন না কেজরিওয়াল

বাংলা টাইমস ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৬০ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এবার দিল্লির রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। আবগারি দুর্নীতি মামলায় জেলমুক্তির পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা দিলেন, দু’দিন পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ব। জনতার রায়ে জিতে আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসব না।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলমুক্তির পর প্রথম জনসভায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, যতোদিন না মানুষ আবার আমাকে নির্বাচিত করে আনছে ততোদিন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে আর বসব না। আমি প্রত্যেকটা মানুষের বাড়িতে যাব। রাস্তায় যাব। কিন্তু মানুষের রায় না পাওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসব না।

কেজরির দাবি, আপকে ভেঙে দেয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে জেলে পাঠিয়েছিলো বিজেপি। সভা থেকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ওরা ভেবেছিল জেলে পাঠিয়ে আমাদের দল ভেঙে দেবে। কিন্তু সেটা তা পারেনি। আমি সংবিধান বাঁচাতে চেয়েছিলাম, সেজন্যই জেল থেকে ইস্তফা দেইনি। সুপ্রিম কোর্টই প্রমাণ করে দিয়েছে জেল থেকেই সরকার চালানো যায়।

চলতি বছরের মার্চ মাসে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন কেজরিওয়াল। এরপর ছয় মাস জেল থেকেই সরকার চালিয়েছেন। তিনি যখন জেলে ছিলেন, তখন বারবার তার ইস্তফা চেয়েছে বিজেপি।

গেরুয়া শিবির দাবি করেছে, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। বিজেপির সেই প্রবল চাপেও ইস্তফা দেননি আপ সুপ্রিমো। বরং অতিশি-সহ কয়েকজন মন্ত্রীকে দিয়ে জেলে বসেই সরকার চালিয়েছেন।

সেই আবগারি দুর্নীতি মামলায় অবশেষে জামিন পান তিনি। তার গ্রেপ্তারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। এমনকী, সিবিআইকে ফের খাঁচাবন্দি তোতাপাখি কটাক্ষও করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তাতেই সম্ভবত কেজরিওয়ালের মনে হয়েছে পরিস্থিতি তার অনুকূলে। এই পরিস্থিতিতে ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে তার পক্ষে সহানুভূতি তৈরি হবে। বস্তুত, আপের জন্মই হয়েছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। সেই আপেরই সুপ্রিমো দুর্নীতির দায়ে জেলে- বিজেপি এতদিন সেটাকে হাতিয়ার করেই করছিল। বিজেপির সেই অস্ত্র কেড়ে নিতেই সম্ভবত কেজরিওয়াল ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তাঁর দাবি, নভেম্বরেই দিল্লিতে ভোট করানো হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসবেন না কেজরিওয়াল

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

এবার দিল্লির রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। আবগারি দুর্নীতি মামলায় জেলমুক্তির পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা দিলেন, দু’দিন পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ব। জনতার রায়ে জিতে আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসব না।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলমুক্তির পর প্রথম জনসভায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, যতোদিন না মানুষ আবার আমাকে নির্বাচিত করে আনছে ততোদিন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে আর বসব না। আমি প্রত্যেকটা মানুষের বাড়িতে যাব। রাস্তায় যাব। কিন্তু মানুষের রায় না পাওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসব না।

কেজরির দাবি, আপকে ভেঙে দেয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে জেলে পাঠিয়েছিলো বিজেপি। সভা থেকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ওরা ভেবেছিল জেলে পাঠিয়ে আমাদের দল ভেঙে দেবে। কিন্তু সেটা তা পারেনি। আমি সংবিধান বাঁচাতে চেয়েছিলাম, সেজন্যই জেল থেকে ইস্তফা দেইনি। সুপ্রিম কোর্টই প্রমাণ করে দিয়েছে জেল থেকেই সরকার চালানো যায়।

চলতি বছরের মার্চ মাসে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হন কেজরিওয়াল। এরপর ছয় মাস জেল থেকেই সরকার চালিয়েছেন। তিনি যখন জেলে ছিলেন, তখন বারবার তার ইস্তফা চেয়েছে বিজেপি।

গেরুয়া শিবির দাবি করেছে, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। বিজেপির সেই প্রবল চাপেও ইস্তফা দেননি আপ সুপ্রিমো। বরং অতিশি-সহ কয়েকজন মন্ত্রীকে দিয়ে জেলে বসেই সরকার চালিয়েছেন।

সেই আবগারি দুর্নীতি মামলায় অবশেষে জামিন পান তিনি। তার গ্রেপ্তারি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। এমনকী, সিবিআইকে ফের খাঁচাবন্দি তোতাপাখি কটাক্ষও করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তাতেই সম্ভবত কেজরিওয়ালের মনে হয়েছে পরিস্থিতি তার অনুকূলে। এই পরিস্থিতিতে ইস্তফার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে তার পক্ষে সহানুভূতি তৈরি হবে। বস্তুত, আপের জন্মই হয়েছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। সেই আপেরই সুপ্রিমো দুর্নীতির দায়ে জেলে- বিজেপি এতদিন সেটাকে হাতিয়ার করেই করছিল। বিজেপির সেই অস্ত্র কেড়ে নিতেই সম্ভবত কেজরিওয়াল ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তাঁর দাবি, নভেম্বরেই দিল্লিতে ভোট করানো হোক।