ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি, হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানোর তাগিদ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল ৫ টাকা, নতুন দর ২০৪ টাকা স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মোবাইলের এনক্রিপ্টেড বার্তা ও ‘সিক্রেট পেপার’ ঘিরে অনুসন্ধান ১৫ বছরেই রেকর্ডের ‘রাজা’ বৈভব, ১০ নজিরে চমকে দিচ্ছে ক্রিকেটবিশ্ব! হার্ট ভালো রাখতে রাখুন এই ১১ ফল, তবে ‘ওষুধের বিকল্প’ নয় দিনে ২২ মিনিট চুমু খেলেই আয়ু বাড়ে ৭ বছর? গবেষণার দাবির সত্যতা কতটা প্রকৃতির রুদ্ররূপে নেপাল, বিপর্যয়ের মাঝেই উঠছে কিছু প্রশ্ন মৌলভীবাজারে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানোর তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারত পারস্পরিক স্বার্থ, অভিন্ন ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর প্রশংসা করেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়মিত মতবিনিময়, পারস্পরিক সফর এবং সংসদ-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ই-পার্লামেন্টে ভারতের সহযোগিতা চান ডেপুটি স্পিকার

বৈঠকে ভারতের সংসদকে আধুনিক সংসদ হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদীর মতো অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়া এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলেও উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার। সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তিনি দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন কায়সার কামাল।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতির পরিসর বাড়ানো গেলে দুই দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে উভয়পক্ষ জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আস্থা, বিশ্বাস ও স্থিতিশীলতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানোর তাগিদ

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারত পারস্পরিক স্বার্থ, অভিন্ন ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সংসদীয় কূটনীতি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সংসদীয় কার্যক্রমের আধুনিকায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে স্থপতি লুই আই কানের নকশায় নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর প্রশংসা করেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়মিত মতবিনিময়, পারস্পরিক সফর এবং সংসদ-সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ই-পার্লামেন্টে ভারতের সহযোগিতা চান ডেপুটি স্পিকার

বৈঠকে ভারতের সংসদকে আধুনিক সংসদ হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদীর মতো অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়া এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ বলেও উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার। সংসদীয় যোগাযোগ বাড়ানো এবং বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার আধুনিকায়নে তিনি দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন কায়সার কামাল।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সংসদীয় কূটনীতির পরিসর বাড়ানো গেলে দুই দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে উভয়পক্ষ জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আস্থা, বিশ্বাস ও স্থিতিশীলতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।