বরের বাড়ি নয়, ‘এনেই থাকবাম’—তুলে নেওয়া নববধূর ভিডিও ভাইরাল

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বরযাত্রীর গাড়ি আটকে এক নববধূকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পর এবার তাঁর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে ওই নববধূকে নিজের অবস্থান নিয়ে কথা বলতে দেখা গেলেও তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন এবং স্বেচ্ছায় ভিডিওটি দিয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওটি কখন, কোথায় এবং কীভাবে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে কিছু জানা যায়নি।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে বসে আছেন ওই নববধূ। তাঁর দুই পাশে কয়েকজন নারী বসে ছিলেন। একই কক্ষের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় নববধূকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককেও।
ভিডিও বার্তায় নববধূকে বলতে শোনা যায়, তিনি যেভাবেই সেখানে গিয়ে থাকুন না কেন, এখন আর ফিরে গেলেও তাঁর কিংবা তাঁর বাবা-মায়ের মান-সম্মান ফিরে আসবে না। তাই তিনি যেখানে আছেন, সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ভিডিওতে জানান।
এর আগে গত রোববার রাতে হোসেনপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বরযাত্রীর একটি মাইক্রোবাস আটকে নববধূকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বরযাত্রীদের বহনকারী গাড়িটিতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার পর বরপক্ষ হোসেনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়।
এদিকে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠা যুবক ঘটনার পর নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই..!’
এর মধ্যেই নববধূর ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে ভিডিওটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেওয়া হয়েছে কি না এবং নববধূ বর্তমানে কোনো ধরনের চাপের মধ্যে আছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অভিযুক্ত যুবকের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বরপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
তিনি বলেন, নববধূর ভিডিও বার্তার বিষয়টি পুলিশের নজরে রয়েছে। এ ঘটনায় কেউ মামলা করলে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















