হাড় নিজেই মেরামত হবে? নতুন আশার দিশা দেখাল গবেষণা
- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১২:২৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া ও অস্থিসন্ধির ব্যথা—এসবকে এতদিন স্বাভাবিক বলেই ধরা হতো। তবে এবার সেই ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ করছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়-এর গবেষণা।
কী বলছে নতুন গবেষণা?
গবেষকেরা বলছেন, ভবিষ্যতে এমন চিকিৎসা সম্ভব হতে পারে, যেখানে হাড় ক্ষয় হলে তা নিজে থেকেই পুনর্গঠিত হবে। এমনকি হাঁটু প্রতিস্থাপনের মতো জটিল অস্ত্রোপচারও প্রয়োজন নাও হতে পারে।
এই প্রক্রিয়ার কেন্দ্রে রয়েছে একটি প্রোটিন—15-PGDH প্রোটিন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রোটিনের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়, যা হাড়ের ক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং অস্টিওপোরোসিস-এর ঝুঁকি বাড়ায়।
কীভাবে কাজ করতে পারে নতুন পদ্ধতি?
গবেষণায় দেখা গেছে—
*এই প্রোটিনকে নিষ্ক্রিয় করা গেলে হাড় ক্ষয়ের গতি কমে বা থেমে যেতে পারে
*হাড় ও তরুণাস্থি (cartilage) স্বাভাবিকভাবে পুনর্গঠিত হতে পারে
*লিগামেন্ট দ্রুত জোড়া লাগতে পারে
প্রথমে ইঁদুরের ওপর পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর মানুষের হাড়ের ক্ষেত্রেও একই সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবি গবেষকদের।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমানে অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত সমস্যার চিকিৎসা মূলত—
*ব্যথানাশক ওষুধ
*ফিজিওথেরাপি
*অথবা শেষ পর্যায়ে হাঁটু প্রতিস্থাপন
কিছু ক্ষেত্রে স্টেম সেল থেরাপি ব্যবহার হলেও তা এখনো সীমিত সফলতা পেয়েছে।
সামনে কী সম্ভাবনা?
যদি ‘15-PGDH’ প্রোটিনকে নিয়ন্ত্রণ করার কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা যায়, তাহলে—
*বার্ধক্যেও হাড় শক্ত রাখা সম্ভব হতে পারে
*দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা কমবে
*অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন অনেক কমে যেতে পারে
তবে এটি এখনো গবেষণার পর্যায়ে। বাস্তব চিকিৎসায় প্রয়োগের আগে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা ও নিরাপত্তা যাচাই প্রয়োজন।























