ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টাঙ্গাইলে ‘সুলতানার স্বপ্ন’ নিয়ে পাঠচক্র, চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পূর্বাচলে অবৈধ চার আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি বিএলডিএ-র জয়পুরহাটে সেরা গার্লস ক্যাডেট কলেজ তাহসিফ হত্যা মামলায় বন্ধু দীপের চার দিনের রিমান্ড গাড়ি কিনলে আইফোন, ই-বাইক ও স্কুটি উপহার! জামালপুরে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ ৬০ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার এইচএসসির ফল বিপর্যয়/ইংরেজিতেই ফেল প্রায় আড়াই লাখ ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান আ’লীগের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল, এখন বিএনপিতে ভেড়ার চেষ্টা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ কেজি ৮৫০ গ্রাম হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার

পূর্বাচলে অবৈধ চার আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি বিএলডিএ-র

​​নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পূর্বাচল ও এর আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন এবং অবৈধ আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)।

গত ৩১ অক্টোবর/২০২৬ বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি অবৈধ আবাসন প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো:

১. ওয়েল কেয়ার হাউজিং
২. লন্ডন হাউজিং
৩. এলেস্ট টাউন
৪. আনন্দ হাউজিং
​সাধারণ ক্রেতা ও দেশের ক্ষতি: বিএলডিএ জানায়, যথাযথ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই পূর্বাচল ও তার আশপাশে কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীনভাবে জমি ক্রয়-বিক্রয়, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়নের কারণে সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। এর ফলে সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বৈধ ও নিবন্ধিত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলো আস্থার সংকটে পড়ার পাশাপাশি তাদের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

​বিএলডিএর ৫ দফা দাবি: দেশের আবাসন খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং প্রশাসনের কাছে ৫টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএলডিএ:

১. ​আইনানুগ ব্যবস্থা: অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

২. ​অভিযান পরিচালনা: অবৈধভাবে প্লট বিক্রয় ও বরাদ্দ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো।

৩. ​বিনিয়োগের সুরক্ষা: সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও তাদের বিনিয়োগের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

৪. ​সুষ্ঠু পরিবেশ: অনুমোদিত ও নিয়ম মেনে পরিচালিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা।

৫. ​সমন্বিত তদারকি: পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, আইন মেনে চলা আবাসন খাতের বিকাশ এবং অবৈধ কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ—উভয়ই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য অপরিহার্য। একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তুলতে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে বিএলডিএ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পূর্বাচলে অবৈধ চার আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি বিএলডিএ-র

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পূর্বাচল ও এর আশপাশের এলাকায় গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন এবং অবৈধ আবাসন প্রকল্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএলডিএ)।

গত ৩১ অক্টোবর/২০২৬ বিএলডিএর সচিব এ কে এম নওশেরুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে চারটি অবৈধ আবাসন প্রকল্পের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পগুলো হলো:

১. ওয়েল কেয়ার হাউজিং
২. লন্ডন হাউজিং
৩. এলেস্ট টাউন
৪. আনন্দ হাউজিং
​সাধারণ ক্রেতা ও দেশের ক্ষতি: বিএলডিএ জানায়, যথাযথ অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ছাড়াই পূর্বাচল ও তার আশপাশে কিছু আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীনভাবে জমি ক্রয়-বিক্রয়, প্লট বরাদ্দ এবং অপরিকল্পিত ভূমি উন্নয়নের কারণে সাধারণ ক্রেতারা মারাত্মক আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। এর ফলে সরকারের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি বৈধ ও নিবন্ধিত ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলো আস্থার সংকটে পড়ার পাশাপাশি তাদের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

​বিএলডিএর ৫ দফা দাবি: দেশের আবাসন খাতের শৃঙ্খলা রক্ষা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, রাজউক এবং প্রশাসনের কাছে ৫টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছে বিএলডিএ:

১. ​আইনানুগ ব্যবস্থা: অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পগুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

২. ​অভিযান পরিচালনা: অবৈধভাবে প্লট বিক্রয় ও বরাদ্দ কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো।

৩. ​বিনিয়োগের সুরক্ষা: সাধারণ ক্রেতাদের স্বার্থ ও তাদের বিনিয়োগের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

৪. ​সুষ্ঠু পরিবেশ: অনুমোদিত ও নিয়ম মেনে পরিচালিত আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সমান সুযোগ ও সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা।

৫. ​সমন্বিত তদারকি: পূর্বাচল ও আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি জোরদার করা।

​সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, আইন মেনে চলা আবাসন খাতের বিকাশ এবং অবৈধ কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ—উভয়ই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য অপরিহার্য। একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং আইনসম্মত আবাসন খাত গড়ে তুলতে সরকারের যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে বিএলডিএ।