এমপি গাজী নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস, প্রথম স্ত্রীর জামিন

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস-মীমাংসা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আসামিদের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি জানানো হয়। মামলার বাদী মো. মাসুম বিল্লাহ—যিনি মরিয়মের শ্বশুর—আপসের ভিত্তিতে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিনে আপত্তি নেই বলে আদালতকে জানান।
শুনানি শেষে আদালত মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করলেও গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী। বাদীপক্ষের জবানবন্দিও আদালত গ্রহণ করেছেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জানান, বাদীপক্ষ আপস করে হলফনামা দিয়েছে। সেই আপসের শর্তের ভিত্তিতেই কারাগারে থাকা গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন—এমন দাবি তাদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। শুনানিতে বাদী উপস্থিত থেকে দুই আসামির জামিনে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন।
দুই দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি
এর আগে গত সোমবার দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওইদিন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে শয়নকক্ষে থাকতেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় মাঝে মাঝে রাত কাটাতে হতো বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ আদালতকে আরও জানিয়েছিল, মরিয়ম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ফ্ল্যাটের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। পরে ঘটনাটি ঘিরে মামলা হলে তদন্তের অংশ হিসেবে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়।






















