ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, শিক্ষকদের গালাগাল: বিএনপি নেতাকে কারাদণ্ড চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মূল্যস্ফীতি কমলেও কাটেনি ঝুঁকি, নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশই থাকছে অবসরজনিত বিদায়ে আবেগঘন সংবর্ধনা পেলেন কেন্দ্রীয় হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সাইবার অপরাধ দমনে তারেক রহমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার বাবাকে খুঁটিতে বাঁধা দেখেছিল তুবা, এখন স্বপ্ন বিচারক হওয়ার জিয়াউল আহসান-তারেক সাঈদের দুই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ নভেম্বর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য তলব মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, ময়লার গাড়িতে আগুন বিচ্ছিন্ন ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ধারণা ঠিক নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকটে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকট সমাধান এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ তৈরিতে চীনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে আরও সহযোগিতা ও বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

আঞ্চলিক যোগাযোগে গুরুত্ব

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

এ সময় মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা

রাষ্ট্রপতি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর নিজের পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের চীন সফর ও বিভিন্ন বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে।

আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও চীনের এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চীনের বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে রোহিঙ্গা সংকটে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকট সমাধান এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ তৈরিতে চীনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে আরও সহযোগিতা ও বিনিয়োগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

আঞ্চলিক যোগাযোগে গুরুত্ব

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

এ সময় মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসব উদ্যোগ আঞ্চলিক যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা

রাষ্ট্রপতি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর নিজের পাশাপাশি বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের চীন সফর ও বিভিন্ন বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে।

আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও চীনের এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।