জিয়াউল আহসান-তারেক সাঈদের দুই মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন ৩০ নভেম্বর

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০২:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি নেতাদের গুম ও হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আরও দুই মাস সময় পেয়েছে প্রসিকিউশন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আগামী ৩০ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আরও দুই মাস সময় চাইল প্রসিকিউশন
শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময়ের আবেদন করেন প্রসিকিউটর ড. মোহাম্মদ অলি মিয়া। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, দুই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বুধবার দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা আরও দুই মাস সময় চেয়েছেন।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এরই মধ্যে মামলার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের বাকি কাজ শেষ করে প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আগামী ৩০ নভেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেন।
এদিন সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসান ও তারেক সাঈদকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানির সময় দুজনই কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
যে অভিযোগে দুই মামলা
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আসাদুজ্জামান বাবুলকে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা সাজিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ছাড়া একই বছরের ২৭ নভেম্বর কুমিল্লার লাকসামে বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম হিরু ও হুমায়ুন কবির পারভেজকে গুম করার অভিযোগ রয়েছে।
এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্ত এখনো চলমান।
আগেই ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়
এর আগে গত ৪ আগস্ট জিয়াউল আহসান ও তারেক সাঈদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ আগস্ট তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
সেদিন দুজনকেই নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।






















