মাধ্যমিকে বাড়ছে ঝরে পড়ার হার
আজ জাতীয় কন্যাশিশু দিবস

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। শিক্ষাক্ষেত্রে গত কয়েক দশকে কন্যাশিশুদের অংশগ্রহণ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সরকারি উদ্যোগ ও উপবৃত্তির মতো বিভিন্ন কর্মসূচির ফলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের ভর্তি ও অংশগ্রহণে এসেছে দৃশ্যমান অগ্রগতি। তবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর আগেই বড় একটি অংশ শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ছে।
বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপাত্তে দেখা যায়, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার প্রায় ৩০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মেয়েদের ক্ষেত্রে এ হার আরও বেশি—প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ে মেয়েদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও মাধ্যমিকে এসে শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছে না তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।
বাল্যবিবাহ বড় বাধা
মেয়েদের শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বাল্যবিবাহ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের কারণে পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ে।
ফলে শুধু বিদ্যালয়ে কন্যাশিশুর ভর্তি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়। তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়াও জরুরি।
শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া ঠেকানোর তাগিদ
কন্যাশিশুর শিক্ষা শুধু একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার বিষয় নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবার, সমাজ ও দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নও জড়িত। তাই বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষ করে বাল্যবিবাহের ঝুঁকি কমানো, নিরাপদ ও সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।





















