ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠিতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১ নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না হওয়া কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারকে দায়ী করলেন নাহিদ ইসলাম দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ১ হাজার ৯৯, নতুন আক্রান্ত ১,৩১০ ফের রিমান্ডে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সাক্ষাৎ পাহাড়-ঝরনা-পাথরের সৌন্দর্যে ভাটা, সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো কি হারাচ্ছে রূপ? লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৪৪

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ২৫টি অভিযান চালিয়ে ১৭১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকৃতদের মধ্যে ১৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১১ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় ২২ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় ও তিনজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সুধারাম মডেল থানা ও হাতিয়া থানায় ২৯ জন করে, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ২০ জন, সেনবাগ থানায় ২১ জন, চাটখিল থানায় আটজন, চরজব্বর থানায় ১০ জন এবং কবিরহাট থানায় ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭১

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৬:০০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬



নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ২৫টি অভিযান চালিয়ে ১৭১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকৃতদের মধ্যে ১৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১১ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে আটককৃতদের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় ২২ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় ও তিনজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সুধারাম মডেল থানা ও হাতিয়া থানায় ২৯ জন করে, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ২০ জন, সেনবাগ থানায় ২১ জন, চাটখিল থানায় আটজন, চরজব্বর থানায় ১০ জন এবং কবিরহাট থানায় ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।