ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন তিনি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত বা অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে দুদক যেন প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তার সম্মানহানি না করে—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হোক। একই সঙ্গে আসিফ মাহমুদকে নিয়ে দেওয়া ব্রিফিংয়ের বক্তব্য ভুল ছিল—দুদককে তা স্বীকার করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে আসিফ মাহমুদকে ঘিরে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। এর ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যে প্রমাণিত—এমন ধারণা তৈরি হয়ে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, ওই শব্দবন্ধটি ভুলবশত বলা হয়েছিল এবং সংবাদ প্রকাশের সময় ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ করেন।

পরে দুদক সচিব সাইদুর রহমান খানও সাংবাদিকদের জানান, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলার সুযোগ নেই। তিনি ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ‘স্লিপ অব টাং’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে আসিফ মাহমুদের পক্ষের দাবি, সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন না হওয়ায় ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নেতিবাচক ধারণা এখনো রয়ে গেছে। এ কারণেই প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত বৈধতা ও বক্তব্য প্রত্যাহারের বিষয়টি রিটে তুলে ধরা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুদকের ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন তিনি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করা হয়। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত বা অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে দুদক যেন প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তার সম্মানহানি না করে—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হোক। একই সঙ্গে আসিফ মাহমুদকে নিয়ে দেওয়া ব্রিফিংয়ের বক্তব্য ভুল ছিল—দুদককে তা স্বীকার করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা সাংবাদিকদের বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এবং সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্যের কারণে আসিফ মাহমুদকে ঘিরে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। এর ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যে প্রমাণিত—এমন ধারণা তৈরি হয়ে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে ২ সেপ্টেম্বর দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলেছিলেন। পরে সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, ওই শব্দবন্ধটি ভুলবশত বলা হয়েছিল এবং সংবাদ প্রকাশের সময় ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটি বাদ দেওয়ার অনুরোধ করেন।

পরে দুদক সচিব সাইদুর রহমান খানও সাংবাদিকদের জানান, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলার সুযোগ নেই। তিনি ‘প্রাথমিক সত্যতা’ কথাটিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ‘স্লিপ অব টাং’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে আসিফ মাহমুদের পক্ষের দাবি, সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন না হওয়ায় ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নেতিবাচক ধারণা এখনো রয়ে গেছে। এ কারণেই প্রেস ব্রিফিংয়ের আইনগত বৈধতা ও বক্তব্য প্রত্যাহারের বিষয়টি রিটে তুলে ধরা হয়েছে।