ইখলাস হত্যা: ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

- সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৩:২০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
যশোরের ঝিকরগাছায় ভ্যানচালক মো. ইখলাস হত্যার ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত দুই আসামীকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া ভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যশোর জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম:ও অপস) মো.মিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো.আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরে গত ১২ সেপ্টেম্বর সকালে ঝিকরগাছা থানার গদাধরপুর ইউনিয়নের কপোতাক্ষ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে নিহতের পরিবারের সদস্যরা এসে লাশটি মো. ইখলাসের বলে শনাক্ত করেন।
ইখলাসের পরিবার জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঝিকরগাছা থানায় একটি অজ্ঞাতনামা হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির রহস্য উদঘাটনে নাভারন সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিস হোসেনের নেতৃত্বে ঝিকরগাছা থানার ওসি মো. ইদ্রিস আলী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) মো. রেজাউল করিমের একটি চৌকস টিম তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ কোতোয়ালী থানাধীন ঝাউদিয়া গ্রাম থেকে আসামী মো. মেহেদী হাসানকে (২৯) গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গদাধরপুর এলাকা থেকে অপর আসামী আশরাফুল আলমকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা ইখলাসকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায়, ভ্যানটি ছিনতাই করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে ইখলাসকে কোমল পানীয়ের সাথে চেতনাউদ্বেক/চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে ডুবিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মৃতদেহের সাথে ৪টি ইট বেঁধে কপোতাক্ষ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যমতে ছিনতাই হওয়া ভ্যানটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন-ঝিকরগাছা উপজেলার গদাধরপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মেহেদী হাসান(২৯) ও একই উপজেলার বিষহারি গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে আশরাফুল আলম (২১)।

























