ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতীয় আধার কার্ডে ডেভিড ইমনের নাম ‘আজহার খান’, তিন মামলায় কারাগারে ঢাবির ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব প্রত্যাহার বিডিএস চিকিৎসক ছাড়াই চলছে দাঁতের চিকিৎসা; ভুল চিকিৎসায় উদ্বেগ অপরিকল্পিত প্রকল্পে জনগণের অর্থের অপচয় আর নয় এনআইডি সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল নির্বাচন কমিশন রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ, আগের সবার নিয়োগ বাতিল প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে চাকরির নিয়োগপত্র পেলেন তিন প্রতিবন্ধী বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানালেন ইউএই প্রেসিডেন্ট, শিগগির ঢাকা সফরের আগ্রহ বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

অপরিকল্পিত প্রকল্পে জনগণের অর্থের অপচয় আর নয়

শহিদুল ইসলাম দইচ
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি অননুমোদিত প্রতিটি প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্প গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণবিষয়ক পৃথক দুটি বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোথায় কী ধরনের খনিজ সম্পদ রয়েছে, তার একটি আধুনিক, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক জাতীয় মানচিত্র (ম্যাপিং) তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্লক ম্যাপ, ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ সম্পদের অবস্থান ও সম্ভাবনার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে এবং পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে অঞ্চলভিত্তিক জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের বাস্তব চিত্র প্রস্তুত করতে হবে। কোথায় কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরে বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্প গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণবিষয়ক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত শুনেন। তিনি বলেন, প্রতিটি প্রকল্প জনগণের প্রয়োজন কতটা পূরণ করবে এবং বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা কী—তা বিবেচনা করেই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতের মতো অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অর্থ অপচয়ের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। এজন্য প্রতিটি প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দেশ দেন তিনি।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

পৃথক দুটি বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

অপরিকল্পিত প্রকল্পে জনগণের অর্থের অপচয় আর নয়

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বিগত দিনের মতো অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি অননুমোদিত প্রতিটি প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুতের চাহিদা, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভা এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্প গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণবিষয়ক পৃথক দুটি বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কোথায় কী ধরনের খনিজ সম্পদ রয়েছে, তার একটি আধুনিক, সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক জাতীয় মানচিত্র (ম্যাপিং) তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্লক ম্যাপ, ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, ভূগর্ভস্থ সম্পদের অবস্থান ও সম্ভাবনার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে এবং পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে অঞ্চলভিত্তিক জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের বাস্তব চিত্র প্রস্তুত করতে হবে। কোথায় কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পরে বিদ্যুৎ বিভাগের অননুমোদিত প্রকল্প গ্রহণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণবিষয়ক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত শুনেন। তিনি বলেন, প্রতিটি প্রকল্প জনগণের প্রয়োজন কতটা পূরণ করবে এবং বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা কী—তা বিবেচনা করেই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতের মতো অপরিকল্পিত ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অর্থ অপচয়ের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। এজন্য প্রতিটি প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দেশ দেন তিনি।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

পৃথক দুটি বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।