ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এনআইডি সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল নির্বাচন কমিশন রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ, আগের সবার নিয়োগ বাতিল প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে চাকরির নিয়োগপত্র পেলেন তিন প্রতিবন্ধী বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানালেন ইউএই প্রেসিডেন্ট, শিগগির ঢাকা সফরের আগ্রহ বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দিল্লি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: ইতিহাস নয়, ভবিষ্যৎ হোক পথপ্রদর্শক রপ্তানি বহুমুখীকরণে ইসিফরজে প্রকল্প : নতুন কর্মসংস্থান ১ লাখ ৮০ হাজার দুই মামলায় জামিন পেলেন ব্যারিস্টার সুমন

রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা আসাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, জিয়া হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান এবং নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ও ভেতরে ছুরি, রড, বেলচা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে একদল যুবক মাহমুদুল হাসান মাহিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, সালাউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এছাড়া সালমান সাব্বিরের রডের আঘাত মাহিনের বাম চোখে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন। অন্য আসামিরাও ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি চারজন আসামি মাহিনকে মাটিতে ফেলে গলায় পা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাহিনকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা বাধা দেন। এমনকি তাঁকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করা হয়। পরে সহপাঠীদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে পিবিআইকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগগুলো মামলার এজাহারে উল্লিখিত অভিযোগ। এ বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করার কোনো রায় এখনো হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

সংবাদ প্রকাশের সময় : ১০:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা আসাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মেহেদী সজীব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, জিয়া হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান এবং নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ও ভেতরে ছুরি, রড, বেলচা ও বাঁশের লাঠি নিয়ে একদল যুবক মাহমুদুল হাসান মাহিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, সালাউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। এছাড়া সালমান সাব্বিরের রডের আঘাত মাহিনের বাম চোখে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন। অন্য আসামিরাও ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি চারজন আসামি মাহিনকে মাটিতে ফেলে গলায় পা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মাহিনকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা বাধা দেন। এমনকি তাঁকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করা হয়। পরে সহপাঠীদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুই শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে পিবিআইকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগগুলো মামলার এজাহারে উল্লিখিত অভিযোগ। এ বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করার কোনো রায় এখনো হয়নি।