ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনার মূর্তি আর পুরোনো কয়েনের ফাঁদ, ভাই-বোন গ্রেপ্তার ক্যান্টনমেন্টের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ এক দফার ঘোষণা দেন চার ক্যাটাগরির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধি, কার্যকর ১ জুলাই এবার উত্তরাঞ্চলে নতুন শঙ্কা, সতর্কবার্তা ৭ জেলার জন্য ডিজিটাল রূপান্তরে গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ, সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ সিলেট-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে ‘টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস’ জিয়া হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মোজাফফর গ্রেপ্তার, ৪৫ বছর পর সামনে পুরোনো প্রশ্ন ২০ জুলাই প্রকাশ হতে পারে এসএসসির ফল বন্যার প্রভাবে রাজধানীর বাজারে বাড়ল মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম ইংরেজ গোলকিপারের জলের বোতল কুড়িয়ে পেলেন মেসিরা, দেখেই চমকে গেল!

রাশেদ খানের দাবি

ক্যান্টনমেন্টের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ এক দফার ঘোষণা দেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
বাংলা টাইমস অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণঅধিকার পরিষদ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, ক্যান্টনমেন্টের ‘স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স’ পাওয়ার পরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খান বলেন, আব্দুল কাদেরের বক্তব্যে মাহফুজ আলমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর মাহফুজ আলম নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তবে এর আগে তিনি কখনোই ছাত্রশিবিরের ভূমিকা স্বীকার করেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলমের বক্তব্য উদ্ধৃত করে রাশেদ বলেন, মাহফুজ দাবি করেছেন অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচির একটি খসড়া তৈরির দায়িত্ব সাদিক কায়েমকে দেওয়া হয়েছিল, যা পরদিন আসিফ মাহমুদ পাঠ করেন। তবে জামায়াতের মুখপত্র সংগ্রাম-এ বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদের ভাষ্য, এক দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেছিলেন। অন্যদিকে, অসহযোগ আন্দোলনের দিকনির্দেশনা পাঠ করেন আসিফ মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবিরের যতটুকু ভূমিকা ছিল, ততটুকুর স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তবে অবদানকে অতিরঞ্জিত করলে বিভ্রান্তি তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েম ‘সালমান’ পরিচয়ে কাজ করতেন এবং এটিই বাস্তবতা।

রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টে লিখেছেন যে ২ আগস্ট রাতে অনলাইনে এক দফার ঘোষণা দেওয়ার বিপক্ষে তারা ছিলেন এবং ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে জনসমক্ষে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। কারণ, রাতেই ঘোষণা দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট পক্ষ থেকে চাপ ছিল।

রাশেদের দাবি, ওই ‘নির্দিষ্ট পক্ষ’ বলতে ক্যান্টনমেন্টকেই বোঝানো হয়েছে। তিনি বলেন, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তি এবং ৩ আগস্ট সেনাপ্রধানের বক্তব্য—যেখানে বলা হয়েছিল সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাবে না—জনমনে সাহস জুগিয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট অবস্থানের পরই নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দেন।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা ছিল। তাঁর মতে, এক দফার ঘোষণা ছিল সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ফল; সেখানে কারও অবদান বেশি, কারও কম।

একই সঙ্গে তিনি আব্দুল কাদেরের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাশেদ খানের দাবি

ক্যান্টনমেন্টের ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ এক দফার ঘোষণা দেন

সংবাদ প্রকাশের সময় : ০৭:১৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

গণঅধিকার পরিষদ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, ক্যান্টনমেন্টের ‘স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স’ পাওয়ার পরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খান বলেন, আব্দুল কাদেরের বক্তব্যে মাহফুজ আলমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর মাহফুজ আলম নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তবে এর আগে তিনি কখনোই ছাত্রশিবিরের ভূমিকা স্বীকার করেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলমের বক্তব্য উদ্ধৃত করে রাশেদ বলেন, মাহফুজ দাবি করেছেন অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচির একটি খসড়া তৈরির দায়িত্ব সাদিক কায়েমকে দেওয়া হয়েছিল, যা পরদিন আসিফ মাহমুদ পাঠ করেন। তবে জামায়াতের মুখপত্র সংগ্রাম-এ বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদের ভাষ্য, এক দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেছিলেন। অন্যদিকে, অসহযোগ আন্দোলনের দিকনির্দেশনা পাঠ করেন আসিফ মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবিরের যতটুকু ভূমিকা ছিল, ততটুকুর স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তবে অবদানকে অতিরঞ্জিত করলে বিভ্রান্তি তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাদিক কায়েম ‘সালমান’ পরিচয়ে কাজ করতেন এবং এটিই বাস্তবতা।

রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টে লিখেছেন যে ২ আগস্ট রাতে অনলাইনে এক দফার ঘোষণা দেওয়ার বিপক্ষে তারা ছিলেন এবং ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে জনসমক্ষে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। কারণ, রাতেই ঘোষণা দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট পক্ষ থেকে চাপ ছিল।

রাশেদের দাবি, ওই ‘নির্দিষ্ট পক্ষ’ বলতে ক্যান্টনমেন্টকেই বোঝানো হয়েছে। তিনি বলেন, ২ আগস্ট সেনাবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তি এবং ৩ আগস্ট সেনাপ্রধানের বক্তব্য—যেখানে বলা হয়েছিল সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাবে না—জনমনে সাহস জুগিয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট অবস্থানের পরই নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা দেন।

পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা ছিল। তাঁর মতে, এক দফার ঘোষণা ছিল সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ফল; সেখানে কারও অবদান বেশি, কারও কম।

একই সঙ্গে তিনি আব্দুল কাদেরের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।